Online Earn, Tech Live BD

Wednesday, May 31, 2017

খুব সহজেই খুলে নিন একটি ইউটিউব চ্যানেল। প্রতি মাসে ইনকাম করুন ১-১০০০ ডলার !

বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই ? আশা করি সবাই ভাল আছেন ! টেকটিউনস এর সাথে যারা সব সময় আছেন, আমার 

পক্ষ থেকে তাদের শুভেচ্ছা ও আন্তরিক ভালোবাসা রইলো।

আজকে আমি আপনাদের সাথে একটি টিউন শেয়ার করবো কিভাবে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলবেন ? এবং ইউটিউব থেকে প্রতি
মাসে  ১-১০০০ডলার চেয়ে বেশী ইনকাম করবেন। আমরা অনেকেই জানিনা কি করে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলতে হয়,তাই
আমি এই টিউন টি করেছি শুধু মাত্র নতুনদের জন্য । তাহলে দেখা যাক কি করে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলবেন...

যদি আমি ইস্কেনসর্ট দিয়ে আপনাদের দেখাতে যাই আমার অনেক কষ্ট হবে তাই একটু কষ্ট করে হলেও ভিডিওটি দেখবেন।
দয়া করে এই ৮মিনিট ১৩সেকেন্ডয়ের ভিডিওটি দেখবেন আশা করি আপনিও একটি পূর্নাঙ্গ ইউটিউব চ্যানেল খুলতে পারবেন।
অবশ্যই আমার টিউন টি ভালো  হলো  কিনা আমাকে টিউমেন্ট করে  জানাবেন ধন্যবাদ।

আমি আপনাদের জন্য আরো ভালো কিছু টিউন নিয়ে আসবো আজ এখানেই শেষ করলাম আল্লাহ্ হাফেজ।

Tuesday, April 18, 2017

আউটসোর্সিং এর যেকোনো কাজ ফ্রিতে শিখতে এবং অনলাইন আরনিং সম্পর্কে A to Z



আমি আজকে ফ্রিল্যান্সিং এর নাড়ি থেকে নক্ষত্র সবই আলোচনা করবো। ফ্রিল্যান্সিং এ আমরা বাংলাদেশ থেকে কি কি কাজ করলে ভালো হয় এবং কোন কোন কাজ করলে অনেক বেশি ইনকাম করা যাবে, কার জন্য কোন কাজ করলে ভালো হবে সেটা নিয়ে আমি বিস্তারিত আলোচনা করবো। আপনি যদি টিউনটি সম্পূর্ণ পড়েন তাহলে হতে পারে আপনার জন্য সঠিক কাজটির দিক নির্দেশনা এখানে পেয়ে যেতে পারেন।
অনলাইনে বাংলাদেশ থেকে কোন কোন কাজ করলে আপনি একটি ভালো ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন এবং অনেক ভালো ইনকাম ও করতে পারবেন তার একটা লিস্ট আমি নিচে দিচ্ছিঃ
  • ১। ওয়েব ডিজাইন & ডেভলপিং
  • ২। গ্রাফিক্স ডিজাইন
  • ৩। ইউটিউব
  • ৪। অনলাইন মার্কেটিং
  • ৫। ব্লগিং
যদিও অনলাইনে প্রায় ৫০০ এর বেশি টাইপের কাজ আছে কিন্তু আমি সবসময় সবাইকে এই ৫ টাইপের কাজ করার জন্য সাজেস্ট করি। কারণ অন্য কাজ গুলা করা মানে টাইম নষ্ট। সাধারণত সবাইকে বলতে শোনা যায় যে, “কোন কাজ টি করলে আমার জন্য ভালো হবে, কিভাবে কোথা থেকে শিখবো, কোথা থেকে কাজ পাবো,” এই টাইপের অনেক প্রশ্ন সব সময় শুনতে হয়। আজ আমি এই টিউনে সব প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো। ধারাবাহিক ভাবে প্রতিটি কাজ নিয়ে নিচে আলোচনা করলামঃ

১। ওয়েব ডিজাইন & ডেভলপিংঃ

ফ্রিল্যান্সিং এ ওয়েব ডিজাইন টার স্থান টা সবার উপরেই রাখতে হবে। কারণ প্রথম থেকে এখন পর্যন্ত এটার চাহিদা অনেক বেশি। কাজ ভালো পারলে অনেক টাকা ইনকাম করা যায়। অনেক ডেভেলপার আছে যারা প্রতি সপ্তাহে ১/২ টি কাজ করে ৫০০-৭০০ ডলারের বেশি ইনকাম করে। আর একটা বড় সুবিধা হল ওয়েব ডেভেলপার রা ফ্রিল্যান্সিং না করেও যেকোনো আইটি ফার্ম এ কোনো সার্টিফিকেট ছাড়ায় ৪০-৫০ হাজার টাকা বেতনের জব করতে পারে। আপনার কাজ হলো শুধু কাজ টি ভালো ভাবে শেখা।

শিখবেন কোথা থেকেঃ

  • udemy (free course)
  • Learncode.academy (YouTube channel)
  • Stackoverflow (ask here any question)

কাজ পাবেন কোথায়ঃ

  • upwork
  • freelancer
  • fiverr
  • any IT firm in Bangladesh

২। গ্রাফিক্স ডিজাইনঃ

এবার আসি গ্রাফিক্স ডিজাইন নিয়ে। এটা একটি ক্রিয়েটিভ কাজ। সবাই করতে পারেনা। তবে যারা করতে পারে তারা প্রতিমাসে হিউজ ইনকাম করে। যদিও গ্রাফিক্স ডিজাইনের কোর্স গুলার রেট টা অনেক বেশি, তবে সমস্যা নেই। আমি নিচে কিছু ফ্রি রিসোর্স দিচ্ছি। সেখান থেকে ফ্রি শিখতে পারবেন। বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর চাহিদা টা ওয়েব ডিজাইনের থেকেও বেশি। অনেক টাইপের গ্রাফিক্স এর কাজ আছে। যেমন, ব্যানার ডিজাইন, ৩ডি, গেম, লোগো ডিজাইন, এরকম হাজারও গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজ আছে যেগুলার ভ্যালু অনেক বেশি। গ্রাফিক্স ডিজাইন এর বাজার সম্পরকে আমার ধারনা একটু কম। কিন্তু যত টুকু জানি সেটা নিচে দিয়ে দিলাম।

শিখবেন কোথা থেকেঃ

  • Alison (free course)
  • GFX (Youtube channel)
  • Atique Ullah (Bangla youtube channel)

কাজ পাবেন কোথায়ঃ

  • upwork
  • freelancer
  • fiverr
  • Graphicriver
  • 99designs
  • DesignCrowd
  • Designhill

৩। ইউটিউব:

ইউটিউব নিয়ে আমার মনে হয় নতুন করে কিছু বলার নেই। সবাই এটা নিয়ে কম বেশি জানে। আপনাকে শুধু জানতে হবে যে, কিভাবে খুব ভালো মানের ভিডিও ক্রিয়েট করতে হবে এবং ভিডিও র ভিউ কিভাবে বাড়াতে হবে। টুকটাক ভিডিও এডিটিং জানলে এবং টুকটাক সোশ্যাল মার্কেটিং জানলে ইউটিউবে খুব সহজেই প্রচুর ইনকাম করা যায়। বলা যায়, অনলাইনে কম পরিশ্রমে আনলিমিটেড ইনকাম করা যায় একমাত্র ইউটিউব থেকে। ইউটিউব সম্পর্কে টুকিটাকি সব কিছু জানতে হিন্দি ইউটিউব চ্যানেলঃ My Smart Support ফলো করতে পারেন। আমি মুলত এই চ্যানেল থেকে অনেক কিছুই শিখেছি। এবং যারা কম সময় খরচ করে অনেক বেশি ইনকাম করতে চান তাদেরকে আমি সব সময় ইউটিউবে কাজ করতে সাজেস্ট করে থাকি।

৪। অনলাইন মার্কেটিংঃ

অনলাইন মার্কেটিং এর সংজ্ঞা টা অনেক বড়। আসলে অনলাইন আরনিং এর প্রায় সব কাজই অনলাইন মার্কেটিং এর সাথে রিলেটেড। তবে সাধারণত অনলাইন মার্কেটিং বলতে আমরা যে বিষয় গুলা জানি তা হলোঃ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, সিপিএ মার্কেটিং, সোশ্যাল মার্কেটিং সহ আরো অনেক টাইপের মার্কেটিং। অনলাইন মার্কেটিং ২ ভাবে করা যায়ঃ ফ্রি মেথড এবং পেইড মেথড। যাদের অনেক টাকা আছে এবং অনলাইনে বিজনেস করতে চান তারা পেইড মেথডে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং পেইড মেথডে করলে কোনও কিছু শেখার দরকার হয়না এবং প্রচুর লাভ আসে। কিন্তু ফ্রি মেথডে কাজ করলে একটু বেশি পরিশ্রম করতে হয় এবং অনেক কিছু শিখতে হয়। যারা ফ্রি মেথডে কাজ করতে চান তাদের জন্য সব থেকে ভাল রিসোর্স হলঃ Web Trainings Academy (Youtube channel)।

৫। ব্লগিংঃ

ব্লগিং টা খুবই সাধারন একটা ব্যাপার। প্রথমে একটা ডোমেইন কিনতে হবে, এরপর সাইটে ইউনিক লেখালেখি করতে হবে, অ্যাড প্রোগ্রাম থেকে অ্যাড লিঙ্ক নিয়ে এসে সাইটে বসাতে হবে, তারপর নিজের সাইট টাকে মার্কেটিং করতে হবে। সাইটে যত ভিজিটর আসবে অ্যাড প্রোগ্রাম থেকে তত ইনকাম আসবে। ব্লগিং করার প্রসেস টা সহজ কিন্তু কাজ করা কঠিন। এখানে কোনও টেকনিক্যাল ব্যাপার নেই কিন্তু অনেক পরিশ্রম করতে হয়। ইউনিক আর্টিকেল লেখা টা যেমন কঠিন তেমন সাইটে প্রতিদিন ভিজিটর আনাটা আরো কঠিন কাজ। এই দুইটা কাজ যদি আপনি করতে পারেন তাহলে প্রতিমাসে প্রচুর ইনকাম করতে পারবেন।

Saturday, April 15, 2017

আসুন, মাত্র ২ থেকে ৬ ঘণ্টায় নেই অ্যাডসেন্স

http://techearnbd.blogspot.com/

বাংলাদেশে আবার ব্যাংক এর মাধ্যমে টাকা দেওয়া শুরু করবে!!! সত্যি নাকি? কেউ কি কিছু জানেন?

আমার এই অ্যাডসেন্স পাওয়ার বেবস্থা অনেকেই হয়ত জানেন!! আবার অনেকে জানেন না।আপনারা অনেকেই আবার ১০০০/২০০০ টাকা দিয়ে অ্যাডসেন্স কেনেন।  যারা জানেন না, তাদের জন্য আমার এই পোস্ট।

যা যা লাগবেঃ

  1. একটা জি-মেইল আকাউণ্ট।

  2. বাংলাদেশি মোবাইল নাম্বার(গুগল ভেফিফিকেসন এর জন্য)

  3. প্রথমে  ইউটিউবে একটি চ্যানেল খুলুন।

  4. আপনার লোকেশন ইউনাইটেড স্টেট দিন।

  5. আপনার অ্যাকাউন্ট ভিডিও মোনাটাইজেশন করুন।

  6. যে কোন একটি ইউনিক ভিডিও আপলোড করুন।আপনার নিজের ভিডিও।

  7. মোনাটাইজেশন ট্যাবে যেয়ে অ্যাডসেন্সের পাবার জন্য আবেদন করুন।

  8. অ্যাডসেন্সে আপনার মূল ঠিকানা (বাসা নাম্বার, রাস্তা, থানা, সহর) সঠিক ভাবে দিন এবং অবশ্যই আপনার দেশ সঠিকভাবে দিন।

  9. একটা জিনিস অবশ্যই লক্ষ্য রাখবেন আপনার এই জিমেইল অ্যাকাউন্টটি যেন এর আগে অ্যাডসেন্সের জন্য ডিসঅ্যাপ্রুভ না হয়ে থাকে।( এ জন্য নতুন জি- মেইল ব্যবহার করুন)।

  10. এইখানে অ্যাডসেন্স আপ্রুভ হলে আপনি টা আপনার ব্লগ/সাইট এ ব্যবহার করতে পারবেন।

  • এবার ২ ঘন্টা অপেক্ষা করুন। ২ ঘন্টা পর আপনার ইনবক্স চেক করে দেখুন। কি মেইল এসেছে? কি অ্যাপ্রুভড? যদি অ্যাপ্রুভড হয় তবে কি করবেন? মিষ্টি খাওয়াবেন? সেটা যেহেতু খেতে পারছি না তাই আপাতত কমেন্ট করে জানালেই খুশি হবো।

     

Sunday, August 21, 2016

ফেসবুকে যে কাজগুলো কখনোই করবেন না


সাইবার ক্রাইমের ফাঁদ পাতা রয়েছে ফেসবুকে। ঘন ঘন স্ট্যাটাস দেওয়া, অপরিচিত কারো ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণ করার সময় আপনি নিজের অজান্তেই ফেক অ্যাকাউন্ট, হ্যাকিংয়ের ফাঁদে পড়ে যেতে পারেন। 
এই সকল বিপদ থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে হলে এই ৬টা জিনিস  ভুলেও কখনও ফেসবুকে করবেন না। যেমনঃ
১) ভুলেও ফেসবুকে বাড়ির ঠিকানা দেবেন না।
২) নিজের পাসওয়ার্ড আপনার ঘনিষ্ঠ কোনও বন্ধুকেও বলবেন না।
৩) ব্যক্তিগত মেসেজ বা চ্যাটেও এড়িয়ে চলুন ব্যক্তিগত কথা।
৪) ভূলভাল ছবি, ব্যক্তিগত ছবি, ঘনিষ্ঠ ছবি ফেসবুকে শেয়ার করবেন না। কাউকে চ্যাটেও পাঠাবেন না। ছবি বিকৃত করে ঘটতে পারে মারাত্মক ঘটনা।
৫) আপনি এই মুহূর্তে কোথায় আছেন, কার সঙ্গে আপনার সম্পর্ক রয়েছে তাঁর নাম, রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস ফেসবুকে দেবেন না।
৬)  জন্মদিনের তারিখ দেবেন না ফেসবুকে।

Saturday, August 20, 2016

ফেসবুক পেজ থাকার ১০টি সুবিধা যেনে নিন......।

অনেকেই এখন দুটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে থাকেন। একটা ব্যক্তিগত কাজে, অর্থাৎ পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবের জন্য। আরেকটি শুধু কাজের জন্য। অর্থাৎ সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার জন্য।
তবে অনেকেরই বন্ধুসংখ্যা এত বেশি যে অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে কাজ হচ্ছে না। সে কারণেই দরকার পড়ে ফেসবুক পেজের। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের যেমন ফেসবুক পেজ আছে, তেমনি অনেক ব্যক্তিও ফেসবুকে পেজ খুলছেন এবং পেজের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখছেন বা আপডেট দিচ্ছেন।
তারকাদের ক্ষেত্রেই ফেসবুক পেজ ব্যবহারের নজির বেশি দেখা যায়। প্রতিনিয়ত নিজের কাজের আপডেট দেওয়া, কোথাও গেলে সেই ছবিগুলো পোস্ট করা বা সচেতনতা বৃদ্ধির কাজেও ব্যবহার করা হয় ফেসবুক পেজকে।
আর এখন ব্যবসার কাজে ফেসবুক পেজ ছাড়া গতি নেই। কারণ, যেকোনো ধরনের ব্যবসাই হোক, মানুষের কাছে দ্রুত পৌঁছানোর জন্য সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম ফেসবুক।
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমবিষয়ক ওয়েবসাইট কনভার্ট উইথ কনটেন্ট জানিয়েছে ফেসবুক পেজ থাকার ১০টি সুবিধার কথা।
১. অগণিত বন্ধু রাখা যাবে
ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পাঁচ হাজারের বেশি বন্ধু রাখা যায় না। কিন্তু ফেসবুক পেজের ক্ষেত্রে এ রকম কোনো সীমাবদ্ধতা নেই। আর এ সুবিধার কারণেই ফেসবুকে অ্যাকাউন্টের চেয়ে পেজ রাখাই ভালো। যদি আপনি বেশি মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে চান, তাহলে ফেসবুক পেজের বিকল্প নেই।
২. ব্যক্তিগত জীবনে প্রভাব পড়বে না
যখন আপনি ফেসবুক পেজ খুলবেন, তখন আপনার মাথায় থাকবে এটা সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছানোর জন্য। সে ক্ষেত্রে আপনি নিশ্চয়ই আপনার কাজ নিয়েই বেশি কথা বলবেন এখানে। ফলে আপনার ব্যক্তিগত জীবনে এর কোনো প্রভাব পড়বে না। আপনি আপনার ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের প্রাইভেসি বাড়িয়ে নিতে পারেন। ফলে সবাই আপনার পোস্ট দেখতে পারবে না। অন্যদিকে আপনার যেসব বিষয় জানানো প্রয়োজন, সেগুলো জানাতে নিজের পেজটি ব্যবহার করুন।
৩. সার্চে সুবিধা পাবেন
ফেসবুকে বা সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ দিলে ফেসবুকের পেজগুলোই আগে আসে এবং এগুলো তাড়াতাড়ি খুঁজে পাওয়া যায়। তাই যদি আপনি চান মানুষ আপনাকে বা আপনার প্রতিষ্ঠানকে সহজে খুঁজে পাবে, তাহলে ফেসবুক পেজে অ্যাকটিভ থাকুন।
৪. ট্যাগিং সুবিধা
ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে শুধু বন্ধুরাই আপনাকে ট্যাগ করতে পারে। কিন্তু ফেসবুকে পেজ থাকলে যে কেউ ট্যাগ করতে পারবে। এতে আপনি বা আপনার প্রতিষ্ঠান অন্যদের কাছে দ্রুত পরিচিতি পাবে। আপনার দেওয়া পোস্টগুলোও শেয়ার হবে দ্রুত।
৫. মনিটরিং সুবিধা
ফেসবুক পেজের মাধ্যমে মনিটরিং করার সুবিধা পাওয়া যায়। কারণ, ফেসবুক পেজে রয়েছে অ্যানালিটিক্স। আপনার পোস্টগুলো কাদের কাছে যাচ্ছে, প্রতিদিন কত মানুষ আপনার পেজে আসছে, সেটা জানতে পারবেন। লাইক আর ডিজলাইক কত, তার সব হিসাবই আপনি পাবেন পেজের অ্যানালিটিক্স থেকে।
৬. নিউজফিড মার্কেটিং
বিভিন্ন পেজের আপডেট ফলোয়ারদের নিউজফিডে দেখা যায়। আর যদি কোনো পোস্ট বুস্ট করা হয়, তাহলে সেটা ফলোয়ারদের বাইরে অন্যদের নিউজফিডেও চলে যায়। এ ক্ষেত্রে পরিচিতি বাড়ে। বিভিন্ন পণ্য বা সেবা সম্পর্কেও মানুষ জানতে পারে।
৭. বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন
বিজ্ঞাপন হিসেবে অনেক প্রতিষ্ঠানই অনলাইনে নানা রকম প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে। অনেক সময় ভোট দেওয়ার ব্যবস্থাও থাকে। এসব প্রতিযোগিতার জন্য সুন্দরভাবে আয়োজনের জন্য পেজগুলোতে নানা রকম সুবিধা রয়েছে, যা ব্যক্তিগত প্রোফাইলের মাধ্যমে পাওয়া সম্ভব নয়।
৮. বিজ্ঞাপন দেওয়ার সুবিধা
ফেসবুকে বিভিন্নভাবে বিজ্ঞাপন দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। যদিও এ জন্য অর্থ খরচ করতে হয়। তবে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ফেসবুকের বিজ্ঞাপনের কার্যকারিতা প্রমাণিত। রয়েছে বিভিন্ন পোস্ট বুস্ট করার সুবিধা। এতে অনেক মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে আপনার পোস্টটি। কিন্তু ব্যক্তিগত প্রোফাইলে ফেসবুকের এই সুবিধা ব্যবহার করার সুযোগ নেই।
৯. অ্যাডমিন রাখার সুবিধা
আপনার প্রোফাইলে প্রবেশ করার ইউজার নেম আর পাসওয়ার্ড একটাই। তাই যদি আপনি অন্য কাউকে আপনার প্রোফাইলে ঢুকতে দিতে চান, তাহলে আপনার পাসওয়ার্ড তাকে দিতে হবে। আর পাসওয়ার্ড পেলে আপনার অ্যাকাউন্টের সবকিছুই তার হাতে চলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ ক্ষেত্রে ফেসবুক পেজে রয়েছে অ্যাডমিন সুবিধা। আপনি পছন্দের কাউকে অ্যাডমিন বানিয়ে দিতে পারেন। তারা আপনার হয়ে বিভিন্ন পোস্ট দিতে পারবে। এতে আপনার গোপনীয়তা বজায় থাকবে, কারণ অ্যাডমিনদের ক্ষমতা সীমিত।
১০. চেকইন সুবিধা
নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য ফেসবুক পেজ হচ্ছে প্রচারের সবচেয়ে ভালো উপায়। কারণ, পেজ থাকলে বাকিরা সেখানে চেকইন দিতে পারে বা ট্যাগ করতে পারে। এর ফলে অন্যরাও আপনার পেজ সম্পর্কে জানতে পারে।

ওয়াইফাই এর গতি বাড়িয়ে নিন কিছু উপায়ে

স্পিড যদি মন মতো না পাওয়া যায় তাহলে ওয়াইফাই থেকে লাভ কী? ওয়াইফাইয়ের গতি কমে যাওয়ার পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। তবে কিছু পদ্ধতি ব্যবহার করে বাড়িয়ে নিতে পারেন আপনার বাসা বা অফিসের ওয়াইফাইয়ের গতি।
রাউটার রাখার স্থান : ওয়াইফাই ব্যবহার করার জন্য উন্নতমানের রাউটার ব্যবহার করার বিকল্প নেই। তবে রাউটারের সাথে রাউটার রাখার স্থান হতে হবে উপযুক্ত। যতো উঁচুতে রাখা যায় তত রেডিও ওয়েভ পরিধি চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা পাওয়া যায়।
তরঙ্গ যেন বাধাগ্রস্ত না হয়: রাউটার যেখানে রাখা হয় সেখানের সামনে যদি কোনো ইটের স্তূপ থাকে তাহলে ওয়াইফাই তরঙ্গ বাধাগ্রস্ত হয়। বাড়ির বেজমেন্টে কখনো রাউটার রাখা যাবে না। এতে ওয়াইফাইয়ের গতি কমে যায়।
রাউটারের ক্ষমতার কাছাকাছি ইন্টারনেট ব্যবহার করুন: রাউটারের ওয়াইফাই সেবা দেয়ার নির্দিষ্ট একটি পরিধি থাকে। এছাড়াও রাউটার থেকে যত দূরে যাওয়া হবে তত রাউটারের গতি কমবে। রাউটার থেকে ওয়াইফাই সিগন্যাল ৩৬০ ডিগ্রি পরিধিতে ছড়িয়ে পড়ে। বাড়ির মধ্যস্থলে রাউটার বসালে চারিদিকে ভালো গতি পাওয়া যাবে। এছাড়া রাউটারের গতি বাড়ানোর জন্য এক্সটেন্ডার বা রিপিটার ব্যবহার করা যেতে পারে।
মাইক্রোওয়েভ ওভেন ওয়াইফাইয়ের গতি রোধ করে : ওভেন ওয়াইফাইয়ের গতির ওপর প্রভাব ফেলে। মাইক্রোওয়েভ ওভেন ফ্রিকোয়েন্সি ওয়াইফাই ফ্রিকোয়েন্সিকে অনেক সময় ওভারল্যাপ করে। ফলে রাউটারের গতি কমে যায়। তাই ওভেন থেকে রাউটার দূরে রাখা উত্তম।
দিতে হবে জটিল পাসওয়ার্ড : ওপেন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করার ফলে যদি ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায় তাহলে রাউটারের গতি কমে যায়। তাই জটিল পাসওয়ার্ড দিয়ে ওয়াইফাই ব্যবহার করতে হবে। তাহলে স্পিড পাওয়া যাবে মন মতো।
বড় ফাইল ডাউনলোডে সতর্কতা : পিসিতে বা ল্যাপটপে বড় ফাইল ডাউনলোডের সময় ওয়াইফাইয়ের গতি কমে যায়। বড় ফাইল ডাউনলোডের সময় অন্যান্য ডিভাইসগুলো গতি পায় না। তাই যখন ব্যবহারকারীর সংখ্যা কম থাকে, তখন বড় ফাইল ডাউনলোড করা উত্তম।
রাউটারের আসে পাশে কমাতে হবে মানুষের উপস্থিতি: মানুষের শরীর রেডিও তরঙ্গের গতি রোধ করে। রাউটারের আসে পাশে বেশি মানুষ থাকলে রাউটারের গতি বাধাগ্রস্ত হয়। তাই রাউটারকে নির্বিঘ্নে ওয়াইফাই সেবা দেয়ার জন্য রাউটারকে ঘিরে মানুষ না থাকাই উত্তম

সহজে অনলাইনে কাজ পাওয়ার কিছু কৌশল

সহজে অনলাইনে কাজ পাওয়ার কিছু কৌশল। ইন্টারনেটে আউটসোর্সিংয়ের কাজ দেওয়া-নেওয়ার ওয়েবসাইট (অনলাইন মার্কেটপ্লেস)। মুক্ত পেশাজীবীরা (ফ্রিল্যান্সার) এসব সাইট থেকে কাজ নিয়ে থাকেন। কিছু কৌশল জানা থাকলে কাজ পাওয়াটা হয় সহজ।


  • কেউ কেউ আছেন, যাঁরা চার-পাঁচটা কাজের (জব) জন্য আবেদন করেই কাজ পেয়ে যান। আবার কেউ কেউ আছেন, যাঁরা ১০০টা আবেদন করেও পান না। এটা অনেকটা নির্ভর করে আপনি কত কম অর্থে (ডলার) কাজটি করে দেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন তার ওপর।
  • যেসব বায়ারের পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড না, তাদের কাজে আবেদন করবেন না। কারণ, কোনো কনট্রাক্টরকে ভাড়া করতে হলে বায়ারের পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড হতে হয়।
  • কোনো একটা কাজ দেওয়ার পর যত তাড়াতাড়ি সেটিতে আবেদন করবেন ততই ভালো। তবে আবেদন করার সময় কাভার লেটারটি এমনভাবে লিখবেন, যেন বায়ার বুঝতে পারে আপনি কাজটির বর্ণনা পড়েছেন এবং তা করতে পারবেন।
  • আপনি যত বেশি মার্কেটপ্লেসে থাকবেন, ততই আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা। কারণ, কিছু কিছু কাজ আছে যেগুলো মার্কেটপ্লেসে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে (এক-দুই ঘণ্টার মধ্যে) সম্পন্ন করে জমা দিতে হয়। যেমন ফেসবুকে বা অন্য কোনো সাইটে ভোট দেওয়া এবং কিছু ভোট সংগ্রহ করে দেওয়া বা হঠাৎ করে কোন ওয়েবসাইটে সমস্যা হয়েছে, তা ঠিক করে দেওয়া ইত্যাদি। কাজেই শুরুতে বেশি সময় অনলাইনে থাকার চেষ্টা করুন, যাতে বায়ার আপনাকে কোনো বার্তা পাঠালে সঙ্গে সঙ্গেই আপনি তার জবাব দিতে পারেন। তাহলে বায়ার বুঝতে পারবে, আপনি কাজের প্রতি আন্তরিক।
  • অনলাইন মার্কেটপ্লেসে দেখবেন, প্রতি মিনিটে নতুন নতুন কাজ দেওয়া হচ্ছে, সেগুলোতে আবেদন করুন। যেসব কাজে কোনো কনট্রাক্টরের ইন্টারভিউ নেওয়া হয়েছে, সেসবে আবেদন না করাই ভালো।
  • যেসব কাজে শর্ত দেওয়া রয়েছে, আর সেগুলো যদি আপনি পূরণ করতে না পারেন, তবে সেসব কাজে আবেদন না করাই ভালো। যেমন Feedback Score: At least 4.00 এবং oDesk Hours: At least 100 hour।
  • যাঁরা ওডেস্কে দু-তিনটা কাজ করেছেন, এখন বেশি ডলার দাম ধরে আবেদন করতে চান, তাঁরা যে কাজের জন্য আবেদন করবেন, তার নিচে দেখুন বায়ারের আগের কাজগুলোর তালিকা দেওয়া আছে। সেখানে যদি দেখেন, বায়ার তার আগের কাজগুলোতে বেশি ডলার দিয়ে অন্য কনট্রাক্টরকে কাজ দিয়েছিল, তবে বেশি ডলার হারে আবেদন করতে পারেন।

Friday, August 12, 2016

বাঁচতে হলে জানতে হবে নিরব ঘাতক ”হেপাটাইটিস-বি” কি?

হেপাটাইটিস বি হেপাটাইটিস বি Hepatitis-B virions. ইলেক্ট্রিক মাইক্রোস্কোপে হেপাটাইটিস বি ভাইরাস শ্রেণীবিভাগ এবং বহিঃস্থ সম্পদ বিশিষ্টতা Infectious disease[*] ওএমআইএম ৬১০৪২৪ ডিজিসেসডিবি ৫৭৬৫ মেডলাইনপ্লাস ০০০২৭৯ ইমেডিসিন med/992 পেশেন্ট ইউকে হেপাটাইটিস বি মেএসএইচ D০০৬৫০৯ (ইংরেজি) হেপাটাইটিস-বি কি? হেপাটাইটিস-বি ভাইরাস জনিত কারনে লিভারে যে প্রদাহ হয় তাকে বি ভাইরাস জনিত হেপাটাইটিস বলে। হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসের ব্যপকতা কতটুকু? আমাদের দেশের শতকরা ৪ ভাগ মানুষ হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসের বাহক। তাদের বিভিন্ন সময় জটিল লিভারের রোগ হচ্ছে। এ দেশের প্রায় ৩.৫% গর্ভবর্তী মায়েরা হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসে আক্রান্ত। এই ভাইরাস তাদের নবজাতকের শরীরে সংক্রামিত হতে পারে। মনে রাখতে হবে যে হেপাটাইটিস-বি ভাইরাস, এইডস ভাইরাসের চেয়ে ১০০% বেসি সংক্রামক। সারা বিশ্বে প্রতি বছর এইডস (AIDS) রোগে যে পরিমাণ মানুষ মারা যায় তার চেয়ে বেসি লোক মারা যায় হেপাটাইটিস-বি (HBV) ভাইরাস সংক্রামনে। কি ভাবে এই রোগের বিস্তার ঘটে ? রোগাক্রান্ত মা এর কাছ থেকে শিশুর। জন্মের পরে ভাইরসে আক্রান্ত মায়ের স্তন পানের মাধ্যমে। নিরীক্ষাবিহীন রক্ত গ্রহণ। ইনজেকশনের মাধ্যমে নেশার দ্রব গ্রহণ করলে। আরক্ষিত যৌন ক্রিয়ার মাধ্যমে। অন্য জনের ব্যক্তিগত জিনিস ব্যবহার করলে, যেমন - ব্রাশ, রেজার। আক্রান্ত ব্যক্তিকে চুম্বনের মাধ্যমে। বিভিন্ন রকমের চিকিৎসার দূষিত যন্ত্রপাতির ব্যবহারের মাধ্যমে। হেপাটাইটিস- বি কি কি ধরনের হয় ? স্বল্পমেয়াদী হেপাটাইটিসঃ- এই রোগ সাধারণত কয়েক সপ্তাহ আথবা কয়েক মাসের মধ্যে ভাল হয়ে যায়। দীর্ঘমেয়াদী হেপাটাইটিসঃ- এই ধরনের হেপাটাইটিস সাধারণত ৬ মাস থেকে আজীবন স্থায়ী হয়। দীর্ঘমেয়াদী হেপাটাইটিস লিভার সিরোসিস ও ক্যান্সার এর অন্যতম প্রধান কারন। হেপাটাইটিস- বি এর উপসর্গ সমূহঃ আক্রান্ত রোগীর কোন উপসর্গ নাও থাকতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে জ্বর, ক্লান্তিবোধ, শরীর টনটন করা, ব্যাথা, বমি ভাব এবং ক্ষুধামন্দা হতে পারে। কিভাবে এই রোগ প্রতিরোধ করা যায়ঃ ১/ ব্যক্তিগত পদক্ষেপঃ- অন্যের ব্যক্তিগত দ্রবাদি ব্যবহার না করা। একবার ব্যবহার্য সিরিঞ্জ ও সূচ আবার ব্যবহার না করা। নিরাপদ রক্তসঞ্চালন। নিরাপদ যৌন চর্চা। ২/ টিকা গ্রহণের মাধ্যমেঃ- নির্দিস্ট নিয়মে টিকা গ্রহণের মাধ্যমে হেপাটাইটিস -বি প্রতিরোধ করা সম্ভব। মনে রাখবেন টিকা গ্রহণের আগে অবশ্যই রক্তে হেপাটাইটিস -বি আছে কিনা পরীক্ষা করে নেয়া উচিৎ। যদি হেপাটাইটিস -বি থাকে তবে টিকা নেয়া যাবেনা। টিকা নেয়ার নিয়ম ০, ১, ২ ও ১২। পরীক্ষা সহ টিকা নিতে ২০০০ হাজার থেকে ৩০০০ হাজার টাকা লাগতে পারে। হেপাটাইটিস- বি (HBsAg Positive) পজেটিভ রোগীদের করনীয়ঃ হেপাটাইটিস- বি পজেটিভ রোগীদের ঘাবড়াবার কিছু নেই। তবে জেনে নিতে হবে যে হেপাটাইটিস- বি ভাইরাসের কারনে লিভারের কোন ক্ষতি হয়েছে কিনা অথবা সম্ভাবনা আছে কি না। এর জন্য কিছু পরীক্ষা করে নিতে হবে যেমনঃ- HBsAg, HBeAg, AST(SGOT), ALT(SGPT), HBV-DNA, Ultrasound এবং Endoscopy of upper GIT। এই সমস্ত পরীক্ষা করতে ৬০০০ হাজার থেকে ৮০০০ হাজার টাকা লাগতে পারে। এই সমস্ত পরীক্ষার ফলাফল ও রোগীর শারীরিক উপসর্গ বিবেচনা করে সঠিক চিকিৎসা নির্ধারন করতে হয়। অনেক সময় তাৎক্ষনিক চিকিৎসা আরম্ভ করতে হয়। অনেকে মনে করে যে হেপাটাইটিস- বি পজেটিভ রোগীদের আর নেগেটিভ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কিন্তু এটা ভুল। নিয়মিত চিকিৎসার মাধ্যমে অনেক সময় নেগেটিভ করা সম্ভব হয়। তবে চিকিৎসার খরচ একটু বেসি। হেপাটাইটিস- বি জনিত লিভার সিরোসিস এর শেষ চিকিৎসা কি? Liver Transplantation লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত রোগীর জীবন রক্ষাকারী পদক্ষেপ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। অপারেশন করে কোন ব্যক্তির রোগাক্রান্ত লিভার অপসারণ করে সেই স্থানে দাতা ব্যক্তির সম্পুর্ন বা আংশিক সুস্থ লিভার প্রতিস্থাপন করা কে Liver Transplantation বলে। বর্তমানে বাংলাদেশে Liver Transplantation সম্ভব। এতে বাংলাদেশে প্রায় ৩০ লাখ টাকা খরচ হয়।

Monday, April 18, 2016

How To Earn Money Online


আমরা সবাই কমবেশি অনলাইন আয় সম্পর্কে জানি। অনেকে আবার অনলাইনে কাজ করতে ইচ্ছুক। কিন্তু কিভাবে করবেন বুঝে পাচ্ছেন না।
কিভাবে কাজ করা যায় তা হয়তো অনেকেই জানি। আসলে কিভাবে কাজ করলে টাকা পাওয়া যায় তা হয়তো আমরা অনেকেই জানি না।
আপনারা যারা কাজ করতে চাচ্ছেন তারা হয়তো ভাবছেন খুবই সহজে অনলাইন থেকে আয় করা যায়। কিন্তু না সফলাতা অর্জনের জন্য যে কোন ক্ষেত্রে অনেক পরিশ্রমের প্রয়োজন। কঠোর পরিশ্রম ছাড়া অনলাইনে আয় করা যায় না। তার জন্য যেমন থাকতে হবে ধৈর্য। তেমন থাকতে হবে কাজ করার মানষিকতা। আপনি যদি অনলাইন থেকে ইনকাম করতে চান তাহলে আজ কাজ করার সাথে সাথেই কেউ আপনার পকেটে টাকা দিয়ে যাবে না। আর যদি টাকা পেতেই হয় তাহলে আপনাকে যথেষ্ট কষ্ট করে টাকা উপার্জন করতে হবে।
যাই হোক আমার মূল কথা হচ্ছে। যারা বিগেনার অনলাইন থেকে আয় করতে চান। তাদের জন্য আমি একটি বই নিয়ে হাজির হয়েছি। যে বইয়ের মাধ্যমে আপনারা কিভাবে কাজ করতে হয়। কিভাবে কাজ করলে টাকা পাওয়া যায়। করা সঠিক ভাবে টাকা প্রদান করে। কিভাবে টাকা উত্তোলন করা যায়। সব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা বইটিতে পাবেন।
বইটি ডাউনলোড করতে নিচের ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করুন।

http://techlivebd.blogspot.com/

 

Saturday, November 14, 2015

এবার পকেটের টাকা ইনভেস্ট না করেই ভিন্ন ভাবে বুদ্ধি খাটিয়ে ইনকাম করুন

 আজকে আপনাদেরকে অনলাইনে আর্নিং এর বিষয়ে কিছু পরামর্শ দিব। আশা করি টিউনটি সবাই ভালভাবে পড়বেন। আমরা সবাই ই অনলাইনে ইনকাম করতে চাই। কিন্তু দিকনির্দেশনার অভাবে সফল হতে পারি না। আমি আজকে একটু ভিন্ন কিছু আইডিয়া দিব। আমি আপনাদের বলবো এবার উদ্যোক্তা হবার জন্য প্রস্তুতি নেন। উদ্যোক্তা হতে গেলে তো টাকা ইনভেস্ট করতে হবে, সেই টাকা পাবো কই? এটাই তো মূল বিষয়। আমি আপনাদের পরামর্শ দিব আপনারা একটু দূর দৃষ্টি দিয়ে ভাবুন। ভেবে বের করুন কোন বিষয়ে বেশি ওয়েবসাইট নেই, কোন বিষয় কিছুদিন পর ব্যাপক জনপ্রিয় হতে পারে, কোন বিষয়ে আপনি ভাল বোঝেন। আপনি সেই বিষয়ে ওয়েবসাইট বানানোর চিন্তা করেন। সেজন্য আগে থেকেই ওয়েবসাইট এর কন্টেন্ট তৈ্রি করে কম্পিউটারে সেভ করে রাখুন যাতে পরে সেটি আপনার ওয়েবসাইট এ পাবলিশ করতে পারেন। এখন বলতে পারেন আমি কি পাগল হয়ে গেছি যে টাকা ছাড়াই ওয়েবসাইট বানানো নিয়ে চিন্তা করতে বলতেছি। থামেন ভাই আমি সেটা বলি নাই। আপনি আজকে থেকেই বিভিন্ন ছোট ছোট কাজ করার ওয়েবসাইট, ট্রাস্টেড পিটিছি ওয়েবসাইট, পিপিডি ওয়েবসাইট ইত্যাদিতে কাজ শুরু করুন। আগামি তিন মাস ঠিক মত কাজ করলে ৫০-৬০ ডলার কামাতে পারবেন। নাক সিটকাচ্ছেন? তিন মাসে মাত্র ৬০ ডলার? আরে ভাই ওই ৬০ ডলারের ১ ডলারও নষ্ট করবেন না। Godaddy অথবা ভাল কোন প্রভাইডার থেকে ডোমেইন হোস্টিং নিয়ে শুরু করে দিন নিজের সপ্নের ওয়েবসাইট। আর ওয়েবসাইট থেকে যে কত ভাবে ইনকাম করা যায় তা তো আপনারা জানেনই। ঠিক মত কাজ করতে পারলে, সততা ধরে রাখতে পারলে একদিন আপনিই হবেন টেকটিউনসের মত বিশাল ওয়েবসাইট এর মালিক। টেকটিউনসের ইনকাম কত তা কি আর বলতে হবে? ছোট ছোট বিষয়ই একসময় বড় হয়ে যাবে।
আমার জন্য দোয়া করবেন। আমি এই রকম কিছু ছোট ওয়েবসাইট এ কাজ করে নিজের জন্য একটি ওয়েবসাইট তৈ্রি করার দ্বারপ্রান্তে আছি। ১৫০ ডলারের মত ইনকাম করতে পারছি। কঠোর পরিশ্রম করছি। ১৫০ ডলার দিয়ে প্রিমিয়াম ডোমেইন, হোস্টিং নিয়ে ওয়েবসাইট তৈ্রি করতেছি। গত ৪ মাস কষ্ট করলাম এই টাকা জমাতে।

মাএ ১০ মিনিট কাজ করে ফ্রিতে রির্চাজ করুন ১০০ টাকা ছোট একটি এন্ড্রোয়েড এপ দিয়ে


আজকে আমি আপনাদের দেখাবো কিবাবে আপনার এন্ড্রয়েড ফোন দিয়ে ইন্টারনেট থেকে আয় টাকা আয় করবেন খুব সহজে এবং আয় করা টাকা সাথে সাথে আপনার মোবাইলে রির্চাজ করবেন। সামান্ন কিছু কাজ করে।চলুন তাহলে সুরু করা জাক
যা যা করতে হবে।
১/ এজন্য আপনাকে WHAFF Rewards নামে একটি সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে হবে গুগুল প্লে স্টর থেকে মাএ 12 mb।
২/ডাউনলোড করে ফেসবুক আইডি দিয়ে লগইন করতে হবে। বয় পাবেন না  এটা আপনার ফেজবোক আইডির কোন ক্ষতি করবে না। আপনে চাইলে আপনার ফেক একটি আইডি ব্যবহার করতে পারেন।
৩/ফেজবোক আইডি দিয়ে লগিং করার পর আপনে welcome bonus পাবেন $ আর তারপর চাইবে, Enter Your Invitation code এর নিচে খালিঘরে(CH07419) লিখে বা লেখাটি কপি করে Enter your invition code  এ দিয়ে OK ক্লিক করুন। আপনার কাজ শেষ।আপনি সাথে সাথে পেয়ে যাবেন আরো ৫০ টাকার।  বি: দ্র:  এই code না লিখলে আপনি ৫০ টাকা  পাবেন না। তাই সাবধনতার সহিত code CH07419 টি লিখুন।
৪/WHAFF Rewards আপনাকে প্রতিদিন কিছু এপ  ডাউনলোড এর জন্য দিবে আপনে সেই এপ গুলা ডাউনলোড করলে টাকা পাবেন। জেমন কোন এপ ডাউনলোডে ১০ টাকা আবার কোনটা ১৫/২০ টাকা করে দেবে।এর চেয়ে বেসি দেয় আবার কম ও দেয়। আপনে এবাবে ও কামাতে পারবেন।
৫/ WHAFF Rewards এর সব চেয়ে বড় সুবিদা হলো এটা রেফারেল সিসটেম মানে আপনে কাউকে জয়েন করালে আপনে পাবেন ৫০ টাকা।লগইন করার পর আপনাকে একটিInvitation কোড দেওয়া হবে যেমন: CH07419 আপনার বন্ধুকে WHAFF Rewards এ invite করে আপনি প্রতি বন্ধুরকাছ থেকে পাবেন ৫০ টাক।আপনার বন্ধু আপনার invitation কোড দিয়ে লগইন করলেই তা আপনার WHAFF Rewards অ্যাকাউন্টে যোগ হয়ে জাবে।
/ডেইলী ফ্রি Rewards বোনাস,ঃ আপনে প্রতিদিন এপটি ওপেন করলে পাবেন ০.০১$ ডলার
৭/play bonusঃ WHAFF Rewards থেকে ডাউন লোড করা প্রতিটা এপ আপনে প্রতিদিন ওপেন করলে পাবেন ০.০১$ডলার।
৮/ rewards everyday একটা ওপসন আছে ওটাতে ক্লিক করলে পাবেন ০.০১$।
WHAFF Rewards এ পাবেন আরো অনেক সুবিদা
ওদের মিনিমাম পে আউট ১০০ টাকা
আপনে মন দিয়ে কিছু সময় কাজে করলেই ১০০ টাকা রিচাজ করতে পারবেন। জিবনে তো আনেক মেগাবাইট খরচ করেছেন এবার মাএ ২০ মেগাবাইট খরচ করে দেখেন।

নিয়ে নিন pc এর জন্য বাংলায় কথা বলা ঘড়ি

নিয়ে নিন বাংলায় কথা বলা ঘড়ি। আসসালামুয়ালাইকুম। আসা করি সবাই ভাল আছেন।
ইংরেজিতে কথা বলা ঘড়ি অনেক আছে কিন্তু যদি তা বাংলায় হয় ? হ্যা এটা একটা চমৎকার ঘড়ি, যা আপনার সেটিং সাপেক্ষে প্রতি ১৫ মিঃ / ৩০মিঃ / ৬০মিঃ পর আপনাকে বাংলায় বলবে ” এখন সময় সকাল দশটা বেজে ৩০মিঃ ” এমন।
BANGLA VOICE CLOCK

download

size: 625 kB
এটা একটা দারুণ ব্যাপার। অনেক ক্ষেত্রে এটা অনেক উপকারে আসে।
সবসময় সময় দেখা হয় না, ফলে কম্পিউটার বসলে অনেক জরুরী কাজে দেড়ি হয় ; কখনো বা টিভি প্রোগ্রাম মিস হয়। এটা থাকলে ঐ ঝামেলা আর থাকবে না।
কারণ যখন সময় এর কথা বলবে, তখনই আপনার ঐ সময়ে করণীয় কাজের কথা মনে পরে যাবে। আর অতিরিক্ত সুবিধা হিসেবে আছে আযান টাইম সেটিং এর বাবস্থা। যেটা সময় মত আযান দিবে।
এক কথায় দারুণ একটা সফটওয়্যার। যাদের দরকার নিচের লিঙ্ক থেকে ডাউনলোড করে নিন। সাইজ একদম ছোট। ইন্সটল দিয়ে সহজেই সেটিং চেঞ্জ করতে পারবেন।

নিয়ে নিন pc এর জন্য বাংলায় কথা বলা ঘড়ি

নিয়ে নিন বাংলায় কথা বলা ঘড়ি। আসসালামুয়ালাইকুম। আসা করি সবাই ভাল আছেন।
ইংরেজিতে কথা বলা ঘড়ি অনেক আছে কিন্তু যদি তা বাংলায় হয় ? হ্যা এটা একটা চমৎকার ঘড়ি, যা আপনার সেটিং সাপেক্ষে প্রতি ১৫ মিঃ / ৩০মিঃ / ৬০মিঃ পর আপনাকে বাংলায় বলবে ” এখন সময় সকাল দশটা বেজে ৩০মিঃ ” এমন।
BANGLA VOICE CLOCK

download

size: 625 kB
এটা একটা দারুণ ব্যাপার। অনেক ক্ষেত্রে এটা অনেক উপকারে আসে।
সবসময় সময় দেখা হয় না, ফলে কম্পিউটার বসলে অনেক জরুরী কাজে দেড়ি হয় ; কখনো বা টিভি প্রোগ্রাম মিস হয়। এটা থাকলে ঐ ঝামেলা আর থাকবে না।
কারণ যখন সময় এর কথা বলবে, তখনই আপনার ঐ সময়ে করণীয় কাজের কথা মনে পরে যাবে। আর অতিরিক্ত সুবিধা হিসেবে আছে আযান টাইম সেটিং এর বাবস্থা। যেটা সময় মত আযান দিবে।
এক কথায় দারুণ একটা সফটওয়্যার। যাদের দরকার নিচের লিঙ্ক থেকে ডাউনলোড করে নিন। সাইজ একদম ছোট। ইন্সটল দিয়ে সহজেই সেটিং চেঞ্জ করতে পারবেন।

Friday, November 13, 2015

এবার সাইট হ্যাক করুন আরও সহজে। কয়েকটি টুলস সম্পূর্ণ অনলাইনে ব্যাবহার করুন

আমার আগের এই টিউনে অনলাইন ডিডস টুল নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। যদিও প্রোজেক্ট টা সফল করতে পারি নাই। তবে আশা রাখি কোন এক সময় হয়তো হবে।
আমার আগের সাইটে শুধুমাত্র অনলাইন ডিডস আট্যাক করার ব্যাবস্থা ছিল। কিন্তু আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম আরো কয়েকটা অনলাইন টুল। যা মেনুয়ালি করতে অনেক সময় সাপেক্ষ এবং কষ্টসাধ্যও বটে। আপাতত দুইটা টুল ব্যাবহার করতে থাকুন।
১। Online DDOS
২। Online SQL Injection
[ Online Admin Panel Finder, Online Hash Cracker সহ আরও টুল শীঘ্রই আসছে ]
এবং সেই সাথে আরেকটা কথা বলে রাখি, Human brain is advance than machine. আপনার ব্রেইন একটা যন্ত্রের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। আপনি হয়তো টুলস ব্যাবহার করে খুব সহজে কাজটা করতে পারবেন, কিন্তু মেনুয়ালি করলে আরও বেশী গভীরে যাবেন। আর যত গভীরে যেতে পারবেন ততই শিখতে থাকবেন। তাই আমি আপনাকে কষ্ট হলেও অটোম্যাটিকের চেয়ে মেনুয়ালি করতে বেশী সাজেস্ট করব।
আগে যেহেতু ডিডস নিয়ে আলোচনা করা হইসে তাই আজ আর নাই বলি। কারো প্রয়োজন হলে আগের টিউন পড়ে নেন। আজকে অনলাইন SQL ইঞ্জেকশন দেখাবঃ
যে সাইট হ্যাক করতে চান সেটা অবশ্যই ভুলনারএবল হতে হবে। কিভাবে vulnerability বের করবেন সেটা আর নতুন করে বলার মত কিছু নাই। কারন SQL নিয়া আগে অনেক টিউন হইসে। লেটস স্টার্ট...
(আপাতত ফ্রী হোস্টিং ব্যাবহার করার কারনে মাঝে মাঝে সাইট সাসপেন্ড হতে পারে। দুইটা লিঙ্কের কোনটাই কাজ না করেলে পরে ট্রাই করবেন)
এবার চলেন শুরু করিঃ
১। প্রথমে http://darktools.ml (প্রবলেম হলে dtools.ml ) এই লিঙ্কে গিয়ে সাইড মেনুতে SQL-INJECTOR buttone ক্লিক করুন। এরকম একটা পেজ আসবে।
image1
২। এখানে চিত্রের মত URL বক্সে ভুলনারবল লিঙ্ক পেস্ট করেন। অবশ্যই স্ট্রিং (‘) ছাড়া।
যেমনঃ http://www.metahit.eu/index.php?id=24 এবং Search ক্লিক করে কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন।
image2
৩। এভাবে চিত্রের মত যেতে থাকুন। একসময় ইউজারনেম পাসওয়ার্ড পেয়ে যাবেন।
image3
ব্যাস পেয়ে গেলেন ইউজেরনামে-পাসওয়ার্ড।

.tk ডোমেইন আর 000webhost এর দারুণ সংযুক্তি সম্পূর্ণ ফ্রি তে নতুনদের জন্য

রা ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর জগতে নতুন বা কাজ শিখছেন তাদের নানা কারণে একটা ওয়েবসাইট এর দরকার হয়। আর ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে অনেক সময় পেইড ডোমেইন বা পেইড হোস্টিং নেয়া সম্ভব হয় না। ফ্রি হোস্টিং নিতে গিয়ে ও অনেক সময় ঝামেলা পোহাতে হয়। তবে সমস্যা নেই এই পোস্ট আপনার জন্য । আমি .tk ডোমেইন আর 000webhost হোস্টিং এর সেটিংস দেখাব। ব্যপার টা সহজ আর সম্পূর্ণ ফ্রি তে হলে ও পেইড হোস্টিং এর বেশির ভাগ সুবিধাই পাবেন। আর হ্যাঁ এটা আমার প্রথম পোস্ট । ভুল হলে ক্ষমা করবেন । চলুন শুরু করা যাক।
প্রথমে my.dot.tk এখানে ক্লিক করে আপনার কাংক্ষিত .tk ডোমেইন নিয়ে নিন।

সাইন ইন করুন আপনার ইমেইল এ লগিন করার মাধ্যমে । একটা একাউন্ট দিয়ে আপনি একাধিক ডোমেইন ক্রিয়েট করতে পারবেন !!!

সাইন ইন করার পর উপরের দিকে ডোমেইন পেনেল থেকে Add a domain এ ক্লিক করুন। আপনার কাঙ্ক্ষিত ডোমেইন পাওয়া গেলে ফ্রি সিলেক্ট করে next চাপুন।

ক্রিয়েট করার সময় DNS এভাবে দিন কারন টা কিছুক্ষণ পরেই টের পাবেন।আর 12 months সিলেক্ট করুন ।আর কিছু করার দরকার নাই। next দিন।
এবার আপনার ডোমেইন এর হোস্টিং দরকার। হোস্টিং এর জন্য 000webhost এ ক্লিক করুন। ডান পাশ থেকে সাইন আপ অপশন পাবেন ।

আপনার ডোমেইন, নাম ইমেইল এড্রেস আর পাসওয়ার্ড দিয়ে সাইন আপ করে নিন। আপনার ইমেইল টা একবার দেখে নিন প্রয়োজনীয় তথ্য ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছে। এরপর লগিন করুন।

আপনার ডোমেইন লিস্ট এ active লেখা দেখলে আপনার ব্রাউজার এর এড্রেস বার এ আপনার হোস্ট করা ওয়েবসাইট এর ঠিকানা দিয়ে এন্টার চাপুন। যদি আমার কথা মত কাজ করে থাকেন তবে একটা মেসেজ দেখতে পাবেন ” your website is running …. ” না আসলে আমাকে গালি দিবেন না, ৫-৬ মিনিট অপেক্ষা করুন।

তবুও না হলে my.dot.tk ওয়েব সাইট এ লগিন করে আপনার ডোমেইন পেনেল থেকে ডোমেইন Modify করুন। DNS সঠিক ভাবে প্রবেশ করান।
এখানেও আপনি একাধিক ওয়েবসাইট হোস্ট করতে পারবেন। আর প্রতিবারই আপনি 1500MB Space এবং 100GB Bandwidth পাবেন। ভাল পেইড হোস্টিং এ যার জন্য আপনাকে প্রায় ৫-৬ হাজার টাকা গুনতে হবে।কিন্তু তবুও পেইড এর সাথে ফ্রি এর তুলনা চলে না।লগিন করার পর উপরের দিকে create account বলে অপশন পাবেন। এতে ক্লিক করার পর আপনার ওয়েব সাইট এর ঠিকানা আর পাসওয়ার্ড দিয়ে দিন যেটা দিয়ে আপনি control panel এ প্রবেশ করবেন। ইউজার নেইম আপনাকে ইমেইল এ পাঠানো হবে।
ব্যস হয়ে গেল। আপনার ইমেইল ঠিকানা চেক করুন । ওয়েব সাইট সঙ্ক্রান্ত যাবতীয় তথ্য ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছে
এবার এই মেসেজ ডিলিট করার পালা। এর আগে আপনার বয়ফ্রেন্ড অথবা গার্লফ্রেন্ড দেখে ফেলে তাড়াতাড়ি ডিলিট করুন দেখলে মান সম্মান শেষ। মেসেজ টা ভাল মত পরলে উপায় টা বুঝতে পারবেন।

আপনার ইমেইলে পাঠানো ইন্সট্রাকশন অনুযায়ী ইউজার নেইম আর পাসওয়ার্ড দিয়ে ও control panel এ প্রবেশ করতে পারেন আবার একাউন্ট লিস্ট থেকে Go to control panel এ ক্লিক করে ও প্রবেশ করতে পারেন এক্ষেত্রে ইউজার নেইম অটো বসে যাবে শুধু পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করবেন।

লগিন করার পর একটু নিচের দিকে File Manager এ ক্লিক করে public_html ফোল্ডারে প্রবেশ করুন।
index.php ফাইল টা ডিলিট করে দিন। হয়ে গেল। এবার আপনার ক্রিয়েট করা ওয়েব সাইট টা এইখানে এবং শুধু মাত্র এই ফোল্ডারেই আপলোড করুন। এবারে যেই পেইজ টা আপনি প্রথমে দেখাতে চান মানে আপনার http://www.domain.tk তে প্রবেশ করলে যেই পেইজ টা প্রথমে দেখাবে সেটা রিনেইম করুন index.html বা index.php দিয়ে। অবশ্য htaccess এডিট করে ও এটা ঠিক করা যাই।

পুনরায় এডসেন্স একাউন্ট খুলার কিছু হিডেন টিপস্‌

techlivebd.blogspot.com
প্রথমেই নতুন করে ওপারেটিং সিস্টেমটি (উইন্ডোজ) রি-ইনিস্টল করে নিন, ৭ থাকে ৮ কিংবা ৮ থাকলে ৭ ইনিস্টল করে কাজের এক ধাপ এগিয়ে যান। আই.পিঃ পারলে আপনি আপনার আই.পি. নাম্বারটি চেঞ্জ করে নিন। না পারলে তেমন সমস্যা হবে না। আমি নিজেও করি নাই। তবে ওভার কনফিডেন্ট এর জন্য করতে পারেন।
নামঃ অনেকে বলে এক নামে একাধিক একাউন্ট করা যায় না। আসলে কথাটা একদম ভুল। কারন পৃথিবীতে একই নামে লাখ লাখ লোক আছে। তাই নামে কোন সমস্যা নাই আপনি নিশ্চিন্তায় আপনার আগের নাম ব্যবহার করতে পারবেন।
ঠিকানাঃ অবশ্যই ঠিকানা পরিবর্তন করে দিবেন। আগে যেই ঠিকানা ব্যবহার করেছেন সেই ঠিকানা না ব্যবহার করাই উত্তম হবে। একদম নিরুপায় হলে আগের টার সাথে ঠিকানার আগ-পিছ করে পরিবর্তন করে নিন। যেমনঃ প্রথমটায় ছিল এইরকম (১৫/৭ যাত্রাবাড়ি, ডেমরা, ঢাকা) নতুন করে এইভাবে দিতে পারেন (যাত্রাবাড়ি ১৫/৭, ডেমরা, ঢাকা) এই ভাবে কিছুটা পরিবর্তন করে দিন।
মোবাই নাম্বারঃ অব্যশই মোবাইল নাম্বার পরিবর্তন করে দিবেন।
ব্রাউজারঃ অবশ্যই আপনি আপনার সকল ব্রাউজার রি-ইনিস্টল করে নিন। পোর্টেবল ব্রাউজার থাকলে তার সকল ক্যাশ ও কুকিজ ডিলিট করে নিন।
পুরাতন সাইটে এডস্‌ ব্যবহারঃ আপনি আপনার সকল পুরাতন সাইটে এডসেন্স এর এডস্‌ ব্যবহার করতে পারবেন। তবে আপনার যে সাইট টি এডসেন্স সরাসরি “সাইট ব্যান্ড” করে দিছে সেটাতে ব্যবহার করবেন না।

Web উদ্যোক্তা হিসাবে আপনাকে যে সকল বিষয় অবশ্যই জানতে হবে।

Web উদ্যোক্তা/ ইন্টারনেটে ব্যাবসা করতে গেলে যে বিষয়গুলো জানা দরকার এই বিষয়ের পূর্নাঙ্গ গাইড লাইন বাংলা কোন ব্লগে না থাকার জন্য অনেকদিন ধরেই লেখার ইচ্ছা ছিল কিন্তু সময়ের অভাবে লেখা হয়ে উঠছিল না। আসলে ভাল কোন কন্টেন্ট লেখা সত্যিই কঠিন কাজ। এর জন্য নিজেকে  অনেক পড়ালেখা করতে হয়। আমি কিছুদিন ধরে উদ্যোক্তা নিয়ে কাজ করছি, কিভাবে Web উদ্যোক্তা তৈরী করা যায়। কিন্তু আমাদের দেশে Web উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য যে পরিবেশ দরকার তা এখনও তৈরী হয়নি। বেশীর ভাগ মানুষের  চিন্তা হল পড়াশুনা করে Job করার। আবার অনেকে BBA  Complete করে Job করছে। এদের পড়াশুনা হল বিজনেস নিয়ে অথচ এরা নিজেরাই Job করছে। আমাদের দেশে ছোটবেলা থেকেই আমাদের জব এর জন্য মোটিভেট করা হয়। আমাদের দিয়ে লেখানো হয় কিভাবে চাকুরীর জন্য দরখাস্ত লিখতে হবে। তবে এখন উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য আমাদের দেশের তরুনদের মধ্যে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করছে নিজে কিছু করার। উদ্যোক্তা হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ইন্টারনেট একটা ভাল প্লাটফর্ম ।
এর কারন হিসাবে বলতে পারি যে এখানে আপনি Web উদ্যোক্তা হতে হলে খুব বেশী  অর্থের প্রয়োজন হয় না, প্রয়োজন হয় মেধা, প্ররিশম এবং
আমাদের দেশে অন্য যে কোন ব্যবসার চেয়ে Web বিজনেস এর খরচ কম এবং প্রফিট বেশী। অল্প সময়ের মধ্যেই নিজেকে Globally প্রতিষ্টিত করা সম্ভব।
Web উদ্যোক্তা হিসাবে আপনাকে যে সকল বিষয় অবশ্যই জানতে হবে।
MODULE ১: BUSINESS PRINCIPLES
# History of the Web
# Introduction to Internet Marketing
# 6 Core Business Principles
# Business Mistakes to Avoid
MODULE ২: DOMAIN NAMES
# Identifying Good Domain Names
# The Research Process
# Domain Name Tools
# Avoiding Domain Traps
MODULE ৩: WEBSITE SETUP
# Web Hosting Basics
# Choosing a Web Hosting
# Content Management Systems
# Using cPanel
MODULE ৪:MARKETS AND NICHES
# How to Choose Your Market or Niche
# Market Research Process
# Niche Research Process
# 100 Niches Analyzed
MODULE ৫:BUSINESS MODELS
# Understanding the Value Chain
# Business Models
# Betamax vs. VHS
# Online Business Models
MODULE ৬:WORDPRESS
WordPress Basic Setup
Securing Your WordPress
Resources and Plugins
WordPress Advanced Optimization
MODULE ৭:WEB DESIGN
HTML and CSS
Designing for Profits and Usability
Outsourcing Your Web Design
Designing For Specific Goals
MODULE ৮:BLOGGING
Blogs as Marketing Platforms
Blog Content Strategy
Blog Design Optimization
Blog Promotion and Blogging Mistakes
MODULE ৯: KEYWORD RESEARCH
Mastering Keyword Research
Keyword Research Mistakes
Building Mini Websites
Keyword Research for Content Websites
MODULE ১০:ONLINE FORUMS
Basics of Online Forums
Building and Growing Your Online Forum
Community Rules
Monetizing Your Online Forum
MODULE ১১: ONLINE STORES
Finding What To Sell
Building Your Store Website
Delivering The Products
The Drop Shipping Business Model
MODULE ১২:WEB CONTENT
Writing Great Web Content
The Art of Linkbaiting
Outsourcing Your Web Content
Attracting Guest Bloggers
MODULE ১৩:BASIC SEO
Understanding Search Engines
On-Page Search Engine Optimization
On-Site Search Engine Optimization
MODULE ১৪:ADVANCED SEO
The PageRank Algorithm
Off-Site Search Engine Optimization
Targeting Highly Competitive Markets and Niches
MODULE ১৫:LINKBUILDING
Basics of Linkbuilding
Building Links with Social Media
Advanced Link Building Strategies
MODULE ১৬:TRAFFIC GENERATION
Basic Taffic Generation
Media Buying and Paid Traffic Sources
Traffic Generation Strategies
MODULE ১৭:WEB METRICS
Understanding Web Metrics
Installing and Using Google Analytics
Techniques to Reduce Your Bounce Rate
MODULE ১৮:SOCIAL MEDIA
How to Become a Social Media Power User
Social Bookmarking Secrets
Using Twitter as a Marketing Tool
MODULE ১৯:SELLING ADVERTISING
Introduction to Google AdSense
AdSense Optimization
Direct Advertising Sales
Selling Sponsored Reviews
MODULE ২০:EMAIL MARKETING
Basics of Email Marketing
Building a Responsive Email List
List Building Tactics and Strategies
MODULE ২১:AFFILIATE MARKETING
Introduction to Affiliate Marketing
Driving Traffic and Sales
Email Powered Affiliate Marketing
MODULE ২২:PAY-PER-CLICK
Introduction to PPC and Google AdWords
PPC Optimization
Analyzing a Successful PPC Campaign
MODULE ২৩:LANDING PAGES
Introduction to Landing Pages
Conversion Rate Optimization
Landing Page Test
MODULE ২৪:SELLING PRODUCTS
Understanding the Sales Funnel Concept
Product Launch Strategies
Basic Copywriting Techniques

Sunday, November 1, 2015

প্লাস্টিক পণ্য ব্যবহারে সতর্ক হন, জেনে নিন কিছু গুরুত্বপূর্ন তথ্য

বর্তমান বিশ্বে প্লাস্টিক হল বহুল ব্যবহৃত একটি সামগ্রী। প্রতিদিন প্রতি পাঁচ মিনিটে প্রায় ২০ লক্ষ প্লাস্টিক বোতল বিক্রয় হয়। প্লাস্টিক এর পণ্য যেমন ভাল আবার তেমনই ক্ষতিকর। এর গবেষনায় দেখা গেছে যে প্লাস্টিক পণ্য মানুষকে আস্তে আস্তে মৃত্যুর দিকে ঢেলে দেয়।
কেবল প্লাস্টিক বোতল নয় বরং বোতল ছাড়াও প্লাস্টিকের যে কোন পণ্য আসলে মানুষের জন্য বিপদজনক। তাই প্লাস্টিক সামগ্রী ব্যবহার করার আগে সেগুলোর প্যাকেটে গায়ের লেখা ও চিহ্ন দেখে নেয়া খুবই জরুরি। কীভাবে বুঝবেন আপনার ব্যবহৃত প্লাস্টিক পণ্যটি নিরাপদ কিনা? শিখে নিন সেই পদ্ধতিটিঃ
প্লাস্টিক পণ্যের বিভিন্ন চিহ্ন ও তার অর্থ-
প্লাস্টিক এর বোতল কিংবা কোন পণ্য কিনলে তার গায়ে অথবা নিচে একটি ত্রিকোণ চিহ্নের ভেতরের যে কোনো একটি শব্দ বা একটি সংখ্যা দেয়া থাকে। এটা শুরু হয় ১ থেকে আর শেষ হয় ৭ এ। এখন দেখি এর অর্থগুলো কি 

নাম্বার ১ঃ
The Recycling SymbolsPlastic #1 – PETE or PET (Polyethylene Terephthalate)।গায়ে যদি ১ লেখা থাকে তাহলে তা PET বা PETE হিসেবে পরিচিত যার অর্থ হচ্ছে এই সামগ্রীটি একবারই মাত্র ব্যবহার করা যাবে। কারণ বিভিন্ন দেশের einvironmental protection agency(EPA) এর মতে এসব সামগ্রী পুনরায় ব্যবহার করলে তা থেকে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ বের হতে পারে। এসব প্লাস্টিক থেকে antimony নামক এক প্রকার ভারি ধাতু নির্গত হতে পারে যা আমাদের দেহের হরমোনের কাজের উপর হস্তক্ষেপ করতে পারে। এটি থেকে ক্যান্সার উৎপাদক পদার্থও দেহে প্রবেশ করতে পারে।
নাম্বার ২ঃ
Plastic #2 – HDPE (High Density Polyethylene)।যদি প্লাস্টিক সামগ্রীটির ত্রিকোণের ভেতরে ২ লিখা থাকে তাহলে তা HDPE বা HDP হিসেবে পরিচিত যা ভাল মানের প্লাস্টিক হিসেবে বিবেচিত। এর কারণ হচ্ছে এই মানের প্লাস্টিকটি অন্য প্লাস্টিকের মত পানির সংস্পর্শে এসে রাসায়নিক পদার্থ নির্গত করে না।
নাম্বার ৩ঃ
Plastic #3 – V or PVC (Vinyl)। এটি V বা PVC ধরনের যদি বোতলের গায়ে ৩ লেখা থাকে। আর এর মানে হচ্ছে ২ ধরনের বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ থাকে যা আমাদের দেহের হরমোনকে প্রভাবিত করতে পারে। কিন্তু তারপরও সারা বিশ্বেই PVC ধরনের প্লাস্টিক সামগ্রী ব্যবহার হয়ে আসছে। ডিটারজেন্ট বোতল তোরিতে এটা বেশি ব্যবহার করা হয়।
নাম্বার ৪ঃ
Plastic #4 – LDPE (Low Density Polyethylene)। LDPE ধরনের প্লাস্টিক হচ্ছে ৪ নাম্বার। এর অর্থ হচ্ছে এটি পানির সংস্পর্শে এসে কোন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ নির্গত করে না। যদিও তাদের বেশির ভাগই অধিকাংশ প্লাস্টিক ব্যাগেই থাকে। শপিং ব্যাগ, কার্পেট তৈরি তে বেশি ব্যবহার হয়।
নাম্বার ৫ঃ
Plastic #5 – PP (Polypropylene)। PP বা ৫ নাম্বার হচ্ছে ভালো মানের প্লাস্টিক। সাদা রঙ দেখে এই মানের প্লাস্টিক চেনা যায়। অনেক সময় এটা দেখতে একদম স্বচ্ছ হয়। PP প্লাস্টিক বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দইয়ের কাপ ও সিরাপের বোতলে দেখা যায়। আর এফ এল এর প্লাস্টিক গুলোতে নাম্বার ৫ থাকে।
নাম্বার ৬ঃ
Plastic #6 – PS (Polystyrene)। ৬ লেখা প্লাস্টিক সামগ্রী যদিও STIREN নামক পদার্থ নির্গত করে যা ক্যান্সার উৎপাদক। তবুও এই ধরনের প্লাস্টিক বিভিন্ন খাবার প্যাকেট করার জন্য ও কফি মগ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
নাম্বার ৭ঃ
Plastic #7 – Other, Miscellaneous সবশেষে যখন প্লাস্টিকের গায়ে কোন কিছু লেখা থাকে না তা PC ধরনের প্লাস্টিক হিসেবে পরিচিত। লেভেল ছাড়া বা কিছু লিখা ছাড়া প্লাস্টিক কোন ভাবেই ব্যবহার করা উচিত নয় কারণ এসব ধরনের প্লাস্টিক থেকে BPA নির্গত হয়। BPA এর পুরো নাম হচ্ছে bisphenol A যা শিল্প খাতে ব্যবহৃত রাসায়নিক পদার্থ এবং এটি আমাদের দেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত PC ধরনের প্লাস্টিক খাবার রাখার ক্ষেত্রে, বিভিন্ন ধরনের স্পোর্টস ড্রিঙ্কস ইত্যাদির বোতল হিসেবে ব্যবহার হয়। আর সবচেয়ে খারাপ যে ব্যাপারটা হয় সেটা হচ্ছে ছোট বাচ্চাদের বোতল তৈরিতেও ব্যবহার হয়ে থাকে।
সুতরাং  যেসব প্লাস্টিক সামগ্রীতে ২, ৪ বা ৫ নম্বর থাকে সেসব নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন কিন্তু যদি ১,৩,৬ বা ৭ থাকে তাহলে বুঝতে হবে যে সেসব সামগ্রী ব্যবহার করলে তা থেকে বিপদজনক রাসায়নিক পদার্থ অবশ্যই শরীরে প্রবেশ করবে। তাই চলুন আমরা এখনই সাবধান হই। নিজে রাসায়নিক উপাদানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচি এবং প্রিয়জনকেও বাঁচাই।

Friday, October 16, 2015

যারা এড দেখে ইনকাম করতে আগ্রহী, শুধু তাদের জন্য



১।Adpaying
অনেকেই এই সাইটের নাম আজকে শুনেছেন। কারণ সাইটটি মাত্র গতকালই লঞ্চ করেছে। আমি এই সাইট থেকে পেমেন্ট না পেয়েও এটিকে প্রথমে দেয়ার কারণ হচ্ছে এটি নতুন হওয়াতে এড বেশি দিচ্ছে ফলে নতুনরা আশানুরূপ রেজাল্ট পেতে পারেন। এদের মিনিমাম পে আউট $2। নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে রেজিষ্ট্রেশন করুন...
পুরো লিঙ্ক কপি-পেষ্ট করে স্পেস বাদ দিয়ে Enter দিন। টিটিতে Maybe রেফারাল লিঙ্ক দেয়া যাচ্ছে না। তাই স্পেস দিয়ে দিলাম
 

Sing up

যে কোনো অপরেটরে ইন্টারনেট চালান সম্পূর্ণ ফ্রিতে


বর্তমান ৩জি জগতে ইন্টারনেট স্পিড ভালো।কিন্তু দামের দিক দিয়েও তাদের তুলনা নেই।তাই বেশি ভাগ মানুষই ইন্টারনেট চালানোর মজা উপভোগ করতে পারে না।কিন্তু আর না!আজ আপনাদের এমন এক পদ্ধতি শিখাব যার মাধ্যমে গ্রামীণফোনে ফ্রিতে নেট ব্যবহার করতে পারবেন।এর জন্য আমাদের দুটি সফটওয়্যার দরকার।একটি দিয়ে আপনার পিসির আইপি এড্রেস হাইড করবেন এবং অপরটি দিয়ে আপনার পিসির জন্য একটি নতুন আইপি এড্রেস Create করবেন। সফটওয়্যার দুটি হোল Any Ip Hideএবং অপরটি হল IP AVC Creator।প্রথমে সফটওয়্যার দুটি ডাউনলোড করে নিনঃ

Any Ip Hide ডাউনলোড

IP AVC Creator ডাউনলোড

ডাউনলোড শেষ হলে নিন্মের ধাপ গুলো অনুসরণ করুন:
১. Any Ip Hide ওপেন করুন
২.Hider ট্যাব এ ক্লিক করুন
৩.Hide IP তে ক্লিক করুন
আপনার একটি কাজ শেষ এবার অপর সফটওয়্যারের কাজ শুরু
৪. IP AVC Creator ওপেন করুন
৫.Create A New IP & Fix এ ক্লিক করুন
আপনার কাজ শেষ এখন আপনি ফ্রিতেই নেট চালাতে পারবেন।আপনার কোন টাকা খরচ করতে হবে না।আপনার নেট স্পীড ১-২ Mbps হবে।তাই দেরি না করে ফ্রি নেট চালানো সুরু করেন।এতে ধরা খাওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই।কারন সুরু তেই আপনি আপনার পিসির ম্যাক এড্রেস চেঞ্জ করে ফেলে ছেন।মজা করে ফ্রি নেট চালান।মজা করে ফ্রি নেট চালান।মজা করে ফ্রি নেট চালান।মজা করে ফ্রি নেট চালান।মজা করে ফ্রি নেট চালান।

আপনার সিমের Delete হয়ে যাওয়া Contact Number, Messages ইত্যাদি ফিরিয়ে আনুন.......!

আপনারা সবাই কেমন আছেন, আশা করি খুব ভাল আছেন এবং আগামিতে যেন সব সময়ভালো থাকেন Techtunes.Com.Bd এর পক্ষ থেকে এই কামনা রইলো।
নিচের লিনক থেকে Zip File টি নামিয়ে নিন।
আমরা বিভিন্ন সময়ে মোবাইল ব্যবহার করতে গিয়ে ইচ্ছে করে কিংবা ভুল করে মেসেজ অথবা সেভ করা নাম্বার ডিলেট করে ফেলি। কিন্তু পরে দেখা যায় ডিলেট হয়ে যাওয়া ওই মেসেজ এবং নাম্বার প্রয়োজন পড়ে যায়। তখন পরতে হয় বিড়ম্বনায়। কখনো কখনো অনেকে জরুরী কোন মেসেজ কিংবা নাম্বার ডিলেট করে খুব বিপদে পরে যায়। কারণ এগুলো ফিরে পাওয়ার কোন পথ থাকেনা।

এখন থেকে এই বিপদ আপনি নিজে নিজেই কাটিয়ে উঠতে পারবেন। এর জন্য ছোট একটা সফটওয়্যার প্রয়োজন হবে। আপনাদের জন্য সফটওয়্যারটির ফুল ভার্সন আপলোড করেছি। মাত্র ৪৫০ কে.বি সাইজের ছোট
সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করতে এই লিংকে গিয়ে Data Doctor Recovery – SimCard.zip নামের সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন।

এবার আনজিপ করে সফটওয়্যারটি আপনার
কম্পিউটারে সেটাপ দিন। এবং রেজিষ্ট্রেশন করতে যে কোন নাম এবং ইমেইল দিয়ে টেক্সট ফাইলের মধ্যে থেকে ৪টি সিরিয়াল নাম্বারের যে কোন একটি
ব্যবহার করে সফটওয়্যারটি ফুল ভার্সন করে নিন। এবার সফটওয়্যারটি সম্পর্কে একটু বলে দেই। এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে আপনি যে কোন দেশের সব ধরনের GSM SIM Card এর মেসেজ অথবা নাম্বার রিকভার করতে পারবেন। ইনবক্স, আউটবক্স, ড্রাফট, সেন্ড আইটেম সকল জায়গা থেকে ডিলেট হয়ে যাওয়া মেসেজ যে সেন্ড করেছে তারনাম্বার সময়, তারিখ এবং জায়গার নামসহ
রিকভার করা যাবে। এর মাধ্যমে সিম কার্ডের IMSI নাম্বার, ICC মোবাইল আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার, সার্ভিস প্রোভাইডার নাম্বার এবং আরও অনেক তথ্যজানতে পারবেন। PC/SC অথবা Phoenix স্ট্যান্ডার্ড সিম কার্ড রিডার দিয়ে সিম
কানেক্ট করে এই সফটওয়্যারটি দিয়ে কাজ
করতে পারবেন।
সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা খুবই সহজ। এটি প্রচললিত সব ধরনের উইন্ডোজ যেমনঃ Windows 2000, Windows 2003, Windows XP, Windows 7, Windows Vista তে সাপোর্ট করে।
মনে রাখবেন, সিম কার্ড পিসি তে কানেক্ট করে এই সফটয়্যার দিয়ে কাজ করতে হলে আপনাকে অবশ্যই PC/SC অথবা Phoenix স্ট্যান্ডার্ড সিম কার্ড রিডার ব্যবহার করতে হবে। ইলেক্ট্রনিক্স দোকানে গিয়ে GSM SIM Card Reader খুজলেই পাবেন। আশা করি সবাই এখন থেকে কাজটি করতে পারবেন এবং অনেক উপকৃত হবেন।