Online Earn, Tech Live BD: অনলাইন ইনকাম
Showing posts with label অনলাইন ইনকাম. Show all posts
Showing posts with label অনলাইন ইনকাম. Show all posts

Wednesday, May 31, 2017

খুব সহজেই খুলে নিন একটি ইউটিউব চ্যানেল। প্রতি মাসে ইনকাম করুন ১-১০০০ ডলার !

বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই ? আশা করি সবাই ভাল আছেন ! টেকটিউনস এর সাথে যারা সব সময় আছেন, আমার 

পক্ষ থেকে তাদের শুভেচ্ছা ও আন্তরিক ভালোবাসা রইলো।

আজকে আমি আপনাদের সাথে একটি টিউন শেয়ার করবো কিভাবে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলবেন ? এবং ইউটিউব থেকে প্রতি
মাসে  ১-১০০০ডলার চেয়ে বেশী ইনকাম করবেন। আমরা অনেকেই জানিনা কি করে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলতে হয়,তাই
আমি এই টিউন টি করেছি শুধু মাত্র নতুনদের জন্য । তাহলে দেখা যাক কি করে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলবেন...

যদি আমি ইস্কেনসর্ট দিয়ে আপনাদের দেখাতে যাই আমার অনেক কষ্ট হবে তাই একটু কষ্ট করে হলেও ভিডিওটি দেখবেন।
দয়া করে এই ৮মিনিট ১৩সেকেন্ডয়ের ভিডিওটি দেখবেন আশা করি আপনিও একটি পূর্নাঙ্গ ইউটিউব চ্যানেল খুলতে পারবেন।
অবশ্যই আমার টিউন টি ভালো  হলো  কিনা আমাকে টিউমেন্ট করে  জানাবেন ধন্যবাদ।

আমি আপনাদের জন্য আরো ভালো কিছু টিউন নিয়ে আসবো আজ এখানেই শেষ করলাম আল্লাহ্ হাফেজ।

Tuesday, April 18, 2017

আউটসোর্সিং এর যেকোনো কাজ ফ্রিতে শিখতে এবং অনলাইন আরনিং সম্পর্কে A to Z



আমি আজকে ফ্রিল্যান্সিং এর নাড়ি থেকে নক্ষত্র সবই আলোচনা করবো। ফ্রিল্যান্সিং এ আমরা বাংলাদেশ থেকে কি কি কাজ করলে ভালো হয় এবং কোন কোন কাজ করলে অনেক বেশি ইনকাম করা যাবে, কার জন্য কোন কাজ করলে ভালো হবে সেটা নিয়ে আমি বিস্তারিত আলোচনা করবো। আপনি যদি টিউনটি সম্পূর্ণ পড়েন তাহলে হতে পারে আপনার জন্য সঠিক কাজটির দিক নির্দেশনা এখানে পেয়ে যেতে পারেন।
অনলাইনে বাংলাদেশ থেকে কোন কোন কাজ করলে আপনি একটি ভালো ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন এবং অনেক ভালো ইনকাম ও করতে পারবেন তার একটা লিস্ট আমি নিচে দিচ্ছিঃ
  • ১। ওয়েব ডিজাইন & ডেভলপিং
  • ২। গ্রাফিক্স ডিজাইন
  • ৩। ইউটিউব
  • ৪। অনলাইন মার্কেটিং
  • ৫। ব্লগিং
যদিও অনলাইনে প্রায় ৫০০ এর বেশি টাইপের কাজ আছে কিন্তু আমি সবসময় সবাইকে এই ৫ টাইপের কাজ করার জন্য সাজেস্ট করি। কারণ অন্য কাজ গুলা করা মানে টাইম নষ্ট। সাধারণত সবাইকে বলতে শোনা যায় যে, “কোন কাজ টি করলে আমার জন্য ভালো হবে, কিভাবে কোথা থেকে শিখবো, কোথা থেকে কাজ পাবো,” এই টাইপের অনেক প্রশ্ন সব সময় শুনতে হয়। আজ আমি এই টিউনে সব প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো। ধারাবাহিক ভাবে প্রতিটি কাজ নিয়ে নিচে আলোচনা করলামঃ

১। ওয়েব ডিজাইন & ডেভলপিংঃ

ফ্রিল্যান্সিং এ ওয়েব ডিজাইন টার স্থান টা সবার উপরেই রাখতে হবে। কারণ প্রথম থেকে এখন পর্যন্ত এটার চাহিদা অনেক বেশি। কাজ ভালো পারলে অনেক টাকা ইনকাম করা যায়। অনেক ডেভেলপার আছে যারা প্রতি সপ্তাহে ১/২ টি কাজ করে ৫০০-৭০০ ডলারের বেশি ইনকাম করে। আর একটা বড় সুবিধা হল ওয়েব ডেভেলপার রা ফ্রিল্যান্সিং না করেও যেকোনো আইটি ফার্ম এ কোনো সার্টিফিকেট ছাড়ায় ৪০-৫০ হাজার টাকা বেতনের জব করতে পারে। আপনার কাজ হলো শুধু কাজ টি ভালো ভাবে শেখা।

শিখবেন কোথা থেকেঃ

  • udemy (free course)
  • Learncode.academy (YouTube channel)
  • Stackoverflow (ask here any question)

কাজ পাবেন কোথায়ঃ

  • upwork
  • freelancer
  • fiverr
  • any IT firm in Bangladesh

২। গ্রাফিক্স ডিজাইনঃ

এবার আসি গ্রাফিক্স ডিজাইন নিয়ে। এটা একটি ক্রিয়েটিভ কাজ। সবাই করতে পারেনা। তবে যারা করতে পারে তারা প্রতিমাসে হিউজ ইনকাম করে। যদিও গ্রাফিক্স ডিজাইনের কোর্স গুলার রেট টা অনেক বেশি, তবে সমস্যা নেই। আমি নিচে কিছু ফ্রি রিসোর্স দিচ্ছি। সেখান থেকে ফ্রি শিখতে পারবেন। বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর চাহিদা টা ওয়েব ডিজাইনের থেকেও বেশি। অনেক টাইপের গ্রাফিক্স এর কাজ আছে। যেমন, ব্যানার ডিজাইন, ৩ডি, গেম, লোগো ডিজাইন, এরকম হাজারও গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজ আছে যেগুলার ভ্যালু অনেক বেশি। গ্রাফিক্স ডিজাইন এর বাজার সম্পরকে আমার ধারনা একটু কম। কিন্তু যত টুকু জানি সেটা নিচে দিয়ে দিলাম।

শিখবেন কোথা থেকেঃ

  • Alison (free course)
  • GFX (Youtube channel)
  • Atique Ullah (Bangla youtube channel)

কাজ পাবেন কোথায়ঃ

  • upwork
  • freelancer
  • fiverr
  • Graphicriver
  • 99designs
  • DesignCrowd
  • Designhill

৩। ইউটিউব:

ইউটিউব নিয়ে আমার মনে হয় নতুন করে কিছু বলার নেই। সবাই এটা নিয়ে কম বেশি জানে। আপনাকে শুধু জানতে হবে যে, কিভাবে খুব ভালো মানের ভিডিও ক্রিয়েট করতে হবে এবং ভিডিও র ভিউ কিভাবে বাড়াতে হবে। টুকটাক ভিডিও এডিটিং জানলে এবং টুকটাক সোশ্যাল মার্কেটিং জানলে ইউটিউবে খুব সহজেই প্রচুর ইনকাম করা যায়। বলা যায়, অনলাইনে কম পরিশ্রমে আনলিমিটেড ইনকাম করা যায় একমাত্র ইউটিউব থেকে। ইউটিউব সম্পর্কে টুকিটাকি সব কিছু জানতে হিন্দি ইউটিউব চ্যানেলঃ My Smart Support ফলো করতে পারেন। আমি মুলত এই চ্যানেল থেকে অনেক কিছুই শিখেছি। এবং যারা কম সময় খরচ করে অনেক বেশি ইনকাম করতে চান তাদেরকে আমি সব সময় ইউটিউবে কাজ করতে সাজেস্ট করে থাকি।

৪। অনলাইন মার্কেটিংঃ

অনলাইন মার্কেটিং এর সংজ্ঞা টা অনেক বড়। আসলে অনলাইন আরনিং এর প্রায় সব কাজই অনলাইন মার্কেটিং এর সাথে রিলেটেড। তবে সাধারণত অনলাইন মার্কেটিং বলতে আমরা যে বিষয় গুলা জানি তা হলোঃ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, সিপিএ মার্কেটিং, সোশ্যাল মার্কেটিং সহ আরো অনেক টাইপের মার্কেটিং। অনলাইন মার্কেটিং ২ ভাবে করা যায়ঃ ফ্রি মেথড এবং পেইড মেথড। যাদের অনেক টাকা আছে এবং অনলাইনে বিজনেস করতে চান তারা পেইড মেথডে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং পেইড মেথডে করলে কোনও কিছু শেখার দরকার হয়না এবং প্রচুর লাভ আসে। কিন্তু ফ্রি মেথডে কাজ করলে একটু বেশি পরিশ্রম করতে হয় এবং অনেক কিছু শিখতে হয়। যারা ফ্রি মেথডে কাজ করতে চান তাদের জন্য সব থেকে ভাল রিসোর্স হলঃ Web Trainings Academy (Youtube channel)।

৫। ব্লগিংঃ

ব্লগিং টা খুবই সাধারন একটা ব্যাপার। প্রথমে একটা ডোমেইন কিনতে হবে, এরপর সাইটে ইউনিক লেখালেখি করতে হবে, অ্যাড প্রোগ্রাম থেকে অ্যাড লিঙ্ক নিয়ে এসে সাইটে বসাতে হবে, তারপর নিজের সাইট টাকে মার্কেটিং করতে হবে। সাইটে যত ভিজিটর আসবে অ্যাড প্রোগ্রাম থেকে তত ইনকাম আসবে। ব্লগিং করার প্রসেস টা সহজ কিন্তু কাজ করা কঠিন। এখানে কোনও টেকনিক্যাল ব্যাপার নেই কিন্তু অনেক পরিশ্রম করতে হয়। ইউনিক আর্টিকেল লেখা টা যেমন কঠিন তেমন সাইটে প্রতিদিন ভিজিটর আনাটা আরো কঠিন কাজ। এই দুইটা কাজ যদি আপনি করতে পারেন তাহলে প্রতিমাসে প্রচুর ইনকাম করতে পারবেন।

Monday, April 18, 2016

How To Earn Money Online


আমরা সবাই কমবেশি অনলাইন আয় সম্পর্কে জানি। অনেকে আবার অনলাইনে কাজ করতে ইচ্ছুক। কিন্তু কিভাবে করবেন বুঝে পাচ্ছেন না।
কিভাবে কাজ করা যায় তা হয়তো অনেকেই জানি। আসলে কিভাবে কাজ করলে টাকা পাওয়া যায় তা হয়তো আমরা অনেকেই জানি না।
আপনারা যারা কাজ করতে চাচ্ছেন তারা হয়তো ভাবছেন খুবই সহজে অনলাইন থেকে আয় করা যায়। কিন্তু না সফলাতা অর্জনের জন্য যে কোন ক্ষেত্রে অনেক পরিশ্রমের প্রয়োজন। কঠোর পরিশ্রম ছাড়া অনলাইনে আয় করা যায় না। তার জন্য যেমন থাকতে হবে ধৈর্য। তেমন থাকতে হবে কাজ করার মানষিকতা। আপনি যদি অনলাইন থেকে ইনকাম করতে চান তাহলে আজ কাজ করার সাথে সাথেই কেউ আপনার পকেটে টাকা দিয়ে যাবে না। আর যদি টাকা পেতেই হয় তাহলে আপনাকে যথেষ্ট কষ্ট করে টাকা উপার্জন করতে হবে।
যাই হোক আমার মূল কথা হচ্ছে। যারা বিগেনার অনলাইন থেকে আয় করতে চান। তাদের জন্য আমি একটি বই নিয়ে হাজির হয়েছি। যে বইয়ের মাধ্যমে আপনারা কিভাবে কাজ করতে হয়। কিভাবে কাজ করলে টাকা পাওয়া যায়। করা সঠিক ভাবে টাকা প্রদান করে। কিভাবে টাকা উত্তোলন করা যায়। সব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা বইটিতে পাবেন।
বইটি ডাউনলোড করতে নিচের ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করুন।

http://techlivebd.blogspot.com/

 

Saturday, November 14, 2015

এবার পকেটের টাকা ইনভেস্ট না করেই ভিন্ন ভাবে বুদ্ধি খাটিয়ে ইনকাম করুন

 আজকে আপনাদেরকে অনলাইনে আর্নিং এর বিষয়ে কিছু পরামর্শ দিব। আশা করি টিউনটি সবাই ভালভাবে পড়বেন। আমরা সবাই ই অনলাইনে ইনকাম করতে চাই। কিন্তু দিকনির্দেশনার অভাবে সফল হতে পারি না। আমি আজকে একটু ভিন্ন কিছু আইডিয়া দিব। আমি আপনাদের বলবো এবার উদ্যোক্তা হবার জন্য প্রস্তুতি নেন। উদ্যোক্তা হতে গেলে তো টাকা ইনভেস্ট করতে হবে, সেই টাকা পাবো কই? এটাই তো মূল বিষয়। আমি আপনাদের পরামর্শ দিব আপনারা একটু দূর দৃষ্টি দিয়ে ভাবুন। ভেবে বের করুন কোন বিষয়ে বেশি ওয়েবসাইট নেই, কোন বিষয় কিছুদিন পর ব্যাপক জনপ্রিয় হতে পারে, কোন বিষয়ে আপনি ভাল বোঝেন। আপনি সেই বিষয়ে ওয়েবসাইট বানানোর চিন্তা করেন। সেজন্য আগে থেকেই ওয়েবসাইট এর কন্টেন্ট তৈ্রি করে কম্পিউটারে সেভ করে রাখুন যাতে পরে সেটি আপনার ওয়েবসাইট এ পাবলিশ করতে পারেন। এখন বলতে পারেন আমি কি পাগল হয়ে গেছি যে টাকা ছাড়াই ওয়েবসাইট বানানো নিয়ে চিন্তা করতে বলতেছি। থামেন ভাই আমি সেটা বলি নাই। আপনি আজকে থেকেই বিভিন্ন ছোট ছোট কাজ করার ওয়েবসাইট, ট্রাস্টেড পিটিছি ওয়েবসাইট, পিপিডি ওয়েবসাইট ইত্যাদিতে কাজ শুরু করুন। আগামি তিন মাস ঠিক মত কাজ করলে ৫০-৬০ ডলার কামাতে পারবেন। নাক সিটকাচ্ছেন? তিন মাসে মাত্র ৬০ ডলার? আরে ভাই ওই ৬০ ডলারের ১ ডলারও নষ্ট করবেন না। Godaddy অথবা ভাল কোন প্রভাইডার থেকে ডোমেইন হোস্টিং নিয়ে শুরু করে দিন নিজের সপ্নের ওয়েবসাইট। আর ওয়েবসাইট থেকে যে কত ভাবে ইনকাম করা যায় তা তো আপনারা জানেনই। ঠিক মত কাজ করতে পারলে, সততা ধরে রাখতে পারলে একদিন আপনিই হবেন টেকটিউনসের মত বিশাল ওয়েবসাইট এর মালিক। টেকটিউনসের ইনকাম কত তা কি আর বলতে হবে? ছোট ছোট বিষয়ই একসময় বড় হয়ে যাবে।
আমার জন্য দোয়া করবেন। আমি এই রকম কিছু ছোট ওয়েবসাইট এ কাজ করে নিজের জন্য একটি ওয়েবসাইট তৈ্রি করার দ্বারপ্রান্তে আছি। ১৫০ ডলারের মত ইনকাম করতে পারছি। কঠোর পরিশ্রম করছি। ১৫০ ডলার দিয়ে প্রিমিয়াম ডোমেইন, হোস্টিং নিয়ে ওয়েবসাইট তৈ্রি করতেছি। গত ৪ মাস কষ্ট করলাম এই টাকা জমাতে।

Friday, October 16, 2015

যারা এড দেখে ইনকাম করতে আগ্রহী, শুধু তাদের জন্য



১।Adpaying
অনেকেই এই সাইটের নাম আজকে শুনেছেন। কারণ সাইটটি মাত্র গতকালই লঞ্চ করেছে। আমি এই সাইট থেকে পেমেন্ট না পেয়েও এটিকে প্রথমে দেয়ার কারণ হচ্ছে এটি নতুন হওয়াতে এড বেশি দিচ্ছে ফলে নতুনরা আশানুরূপ রেজাল্ট পেতে পারেন। এদের মিনিমাম পে আউট $2। নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে রেজিষ্ট্রেশন করুন...
পুরো লিঙ্ক কপি-পেষ্ট করে স্পেস বাদ দিয়ে Enter দিন। টিটিতে Maybe রেফারাল লিঙ্ক দেয়া যাচ্ছে না। তাই স্পেস দিয়ে দিলাম
 

Sing up

Friday, September 18, 2015

জেনে নিন অনলাইনে আয় করার দশ উপায়।

তুমি কি বাংলাদেশে থাকো? তুমি কি অনলাইনে আয় রোজগারের সঠিক উপায় খুঁজছ? তাহলে আমার এই নিবন্ধটি পড়ো। এটি তোমার জন্য একটা সহায়ক হিসেবে কাজ করবে। কারণ, অনলাইনে যে কিভাবে ঘরে বসে অনেকভাবে অর্থ উপার্জন করা যায়, তা এই নিবন্ধ পড়লে তুমি জানতে পারবে। আমি তোমাকে বলে রাখতে চাই যে, অনলাইনে আয় করা বাস্তব জীবনে আয় করার মতোই কঠিন। এখানে এমন কিছু রাস্তা আছে যেগুলোতে কাজ শুরু করা সহজ। কিন্তু এগুলো থেকে বেশি টাকা আয় করা যায় না। এর তুলনায় অন্যান্য উপার্জনের পন্থায় ভালো আয়ও হয় আবার তা ধারাবাহিকভাবেও বজায় থাকে। বাংলাদেশ থেকে অনলাইন আয় রোজগারের উপায়গুলো নিম্নে উপস্থাপন করলাম। আশা করি তোমাদের ভাল লাগবে।

১। প্যাড রিভিউ-এর মাধ্যমে আয় রোজগার:
সার্ভে বা জরিপ একটা পুরাতন পদ্ধতি আর আমার মনে হয় তুমি এ বিষয়ে জানো। “সার্ভে” সাইটে তুমি গিয়ে নিবন্ধিত হবে আর সার্ভে বা জরিপ আসার অপেক্ষা করবে; সার্ভে ফর্ম পূরণ করে তোমার মতামত জানাবে, ব্যস! প্রতিটি সার্ভের জন্যে তুমি টাকা পাবে। এখানে, এমন কিছু ব্যবস্থাও আছে যেখানে, ইমেইল পড়ার ও জবাব দেওয়ারও কাজ থাকে। সার্ভে সাইট হিসেবে অন্যতম জনপ্রিয় সাইট হচ্ছে-সার্ভে সেভী।

২। নিবন্ধ লিখে আয় রোজগার
এমন অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলো পাঠকদের লেখায় আপডেট হতে থাকে। কোন কোন সাইটে তারা লেখকদের সাথে মুনাফা ভাগ করে নেয়। তুমি এখানে বিভিন্ন নিবন্ধ লিখতে পারো আর তোমার আর্টিকেল বা নিবন্ধ যতো বেশি পাঠক পড়বে, তুমি ততো বেশি টাকা পাবে। “শুভং” নামক একটা ওয়েবসাইট আছে যারা তাদের লেখকদের সাথে শতকরা ১০ ভাগ গুগল এডসেন্স-এর লভ্যাংশও ভাগ করে নেয়।

৩। পিটিসি বা প্যাড-টু-ক্লিক এ আয় রোজগার
পিটিসি বা প্যাড-টু-ক্লিক এর সাহায্যে তুমি ওয়েবসাইট(শুধুমাত্র স্পনসরড্ সাইটগুলো‌)ব্রাউজ করার জন্যে টাকা পাবে। এতে আরো উপায় আছে যাতে ওয়েবসাইট সার্ফ করে, ওয়েবসাইট দেখে আর ওয়েবসাইট সার্চ করে টাকা উপার্জন। সত্যকথা বলতে কি, এই সাইটগুলো আয়ের তুলনায় অনেক বেশী সময় অপচয় করে। এরা তোমার একেক ইউনিট এডের পেছনে তোমার ব্যয়ের তুলনায় খুবই কম টাকা দেয়। একটা জনপ্রিয় পিটিসি সাইট যারা ভালো অর্থ প্রদানও করে থাকে সেটি হচ্ছে- বাক্স টু।

৪। তোমার তোলা ছবির মাধ্যমে অর্থ উপার্জন
যদি তুমি একজন ফটোগ্রাফার বা চিত্রগ্রাহক হয়ে থাকো, তবে তোমার তোলা আকর্ষণীয় ছবিগুলো অনলাইনে বিক্রি করতে পারো। অনলাইনের ডিজাইনাররা তাদের প্রজেক্টের জন্যে অনেক ছবি খুঁজে থাকেন, তুমি তাদের নিকট তোমার ছবিগুলো বিক্রি করতে পারো। তুমি তোমার ছবিগুলো আই-স্টক-ফটোস্‌ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিক্রিও করতে পারো।

৫। গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে আয় রোজগার
গুগল এডসেন্সে আয় করার জন্যে তোমার একটা সচল ওয়েবসাইট অথবা ব্লগ প্রয়োজন। তুমি নিশ্চয়ই দেখেছো এমন বিলবোর্ড বা টিউনার যেখানে তারা(জনৈক অসাধু ব্যবসায়ীরা) দাবি করে যে, তুমি এখান ১০ থেকে ২০ ডলার দৈনিক আয় করতে পারবে- এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা! গুগল এডসেন্স থেকে ইনকাম হয় তখন যখন, কেউ গুগলের সেসব এডে ক্লিক করে। কিন্তু, এখানে ইনকাম করার পূর্বে তোমাকে একটা তথ্যসমৃদ্ধ ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে হবে। কিন্তু, তোমাকে সেসব নকল এডসেন্স শেখার জায়গায় এই শেখানো হয় যে, কিভাবে চুরির লেখা দিয়ে একটা নকল ওয়েবসাইট বানাতে হয়, এটাতো আসল নয় কারণ এটা একটা ধোঁকাবাজি।

৬। তোমার মতামত প্রকাশের জন্যে টাকা পাবে
হ্যাঁ, এটিই নতুন দিনের আয় রোজগার মাধ্যম, এখন তুমি টাকা নিয়ে যেকোন ওয়েবসাইট বা কোম্পানির ব্যাপারে তোমার মতামত দিয়ে একটা নিবন্ধ লিখে ফেলো তোমার ব্লগে। প্যাড রিভিউ সাইটগুলো কল্যাণে, এখন তারা(কোম্পানি বা ওয়েবসাইটগুলো) তোমাকে তাদের ব্র্যান্ড, পণ্য বা ওয়েবসাইটের বিষয়ে লেখার জন্যে অর্থ পরিশোধ করবে। তোমার এই মতামত বা ব্লগ তাদের নিয়ে বাজারে আলোড়ন সৃষ্টি করবে আর তারা পাবে অধিক পাঠক ও ক্রেতা। এরকম একটা জনপ্রিয় প্যাড রিভিউ সাইট হচ্ছে-সোস্যাল সম্পর্ক।

৭। এফাইলিয়েট মার্কেটিং-এর মাধ্যমে আয় রোজগার(সেবামূলক গোষ্ঠীর সাহায্য করা)
এটি একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে তুমি তোমার ওয়েবসাইটে কোন পণ্যের প্রচার করবে আর যখন পণ্য বিক্রি হবে, তখন তুমি এর থেকে কমিশন পাবে। এখানে অনেক আধুনিক আর ভালো পণ্য আছে যেগুলো বিক্রি করা যায় আর মানুষ কিনতেও আগ্রহী; তুমি একজন এফাইলিয়েট হয়েও কাজ করতে পারো। তুমি “ক্লিক ব্যাংক”-এর মাধ্যমে একজন এফাইলিয়েট হয়ে পণ্য বিক্রয় করতে পারো।

৮। ব্যানার এডস্‌ বা “ব্যানার” জাতীয় বিজ্ঞাপন বিক্রি করে আয় রোজগার
যদি তোমার একটা প্রতিষ্ঠিত ওয়েবসাইট বা ব্লগ থাকে, তবে বিজ্ঞাপনদাতারা তোমার ব্লগে তাদের বিজ্ঞাপন দিতে দ্বিধাবোধ করবে না। একেই বলে, ব্যানার এডস্‌ অথবা সরাসরি ইনকামের সুযোগ। তোমার ওয়েবসাইটের জনপ্রিয়তা যতো বেশি হবে তোমার পাঠক সংখ্যা বাড়বে ততো বেশি হবে আর তোমার আয়ও বাড়তে থাকবে।

৯। ফ্রি-লেন্সিং বা অস্থায়ী কর্মী হিসেবে অর্থ উপার্জন
ঘরে বসে ফ্রি-লেন্সিং করা আয় রোজগারের একটা চমৎকার সুযোগ। তোমার যদি ডাটা এন্ট্রি, গ্রাফিক্স ডিজাইন অথবা এডমিনিস্ট্রেশন বা তদারকির কাজে দক্ষতা থাকে তাহলে, তুমি অনলাইনে এসব কাজ করে আয় রোজগার করতে পারো। তুমি চাইলে ফ্রিলেন্সিংভিত্তিক একটা ক্যারিয়ারই গড়ে তুলতে পারো।

১০। টুইটার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আয় করা
বিজ্ঞাপনদাতাগণ বর্তমানে তাদের ক্যাম্পেইন বা বিজ্ঞাপন উদ্যোগগুলো “টুইটার” বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে চাচ্ছেন। এজন্যে, তোমার কোন ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইট থাকারও প্রয়োজন নেই। এমন অনেক কোম্পানি রয়েছে, যারা টুইটার বিজ্ঞাপনের কাজ করে থাকে যেমন- মেগ-এ-পাই।

অনলাইনে আয়ের টাকা বাংলাদেশে কিভাবে পাবে?
১. চেকে টাকা পাওয়া
এটা একটা ব্যাংকের চেক যেটি তুমি যেকোন ব্যাংক থেকেই উত্তোলন করতে পারবে। এডসেন্স ও অন্যন্য সাইট এরকম চেকে টাকা পাঠিয়ে থাকে। এটা বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর সবচেয়ে সাধারণ ও জনপ্রিয় মাধ্যম।

২. পেপ্যাল-এর মাধ্যমে টাকা পাওয়া
পেপ্যাল টাকা পাওয়ার একটি জনপ্রিয় মাধ্যম, যেটি তোমাকে অনলাইনে টাকা পেতে সাহায্য করবে। অবশ্য, এখনও পেপ্যাল বাংলাদেশে আসেনি কিন্তু শীঘ্রই আসবে।

৩. পেওনিয়ার প্রিপেইড ডেবিট মাস্টারকার্ড
এটা বাংলাদেশে অনলাইনের টাকা পাওয়ার জন্যে নতুন একটা রাস্তা। তুমি ওডেস্ক থেকে মাস্টারকার্ড পেয়ে সেই কার্ড থেকে টাকা উঠাতে পারো। পড়ে নাও-বাংলাদেশে ওডেস্ক পেওনিয়ার প্রিপেইড ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে অর্থ প্রাপ্তি।

৪. মানিবুকারস্‌ থেকে টাকা প্রাপ্তি
মানিবুকারস অনেকটা পেপ্যালের মতোই। আর এটা তোমার ব্যাংক একাউন্টের মতনও। বাংলাদেশে এটা প্রচলিত আছে।

৫. এলার্টপে
এর মাধ্যমে টাকা পাওয়া। এটিও পেপ্যালের মতোই আর বাংলাদেশে প্রচলিত আছে। তুমি এর টাকা ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন থেকে উঠাতে পারো।

৬. ই-গোল্ড ব্যবহার টাকা প্রাপ্তি
পেপ্যালের মতোই ই-গোল্ড।

আমি অনলাইনে কত টাকা আয় করতে পারবো?
এটা তোমার পরিশ্রম, দক্ষতা আর পদ্ধতির উপর নির্ভর করবে, তুমি চাইলে ৫০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা প্রতি মাসে আয় করতে পারবে। আয় সম্পূর্ণ নির্ভর করে তোমার বিশ্বস্ততা ও পরিশ্রমের উপর। এখন, তুমি চাইলে ১৫,০০০ থেকে ৩০,০০০ টাকা বা উপরে ৫০,০০০ প্রতি মাসে উপার্জন করতে পারো। আমার একটা পরামর্শ নিতে পারো, এখানে সত্যিই অনেক টাকা বানানো যায় আর এটা কোন ফাজলামো নয়, তুমি যাই করো গম্ভীর হয়ে করবে আর কঠোর পরিশ্রম করবে। কখনো চুরি, ধোঁকাবাজি করবে না আর তোমার কাজের প্রতি সৎ থাকার চেষ্টা করবে।

কিভাবে আপনার পেইজা একাউন্টে ফান্ড অ্যাড কিংবা ডিপোজিত করবেন? সাথে একাধিক পদ্ধতির কৌশল!!

কিভাবে অ্যাড ফান্ড যোগ করবেন পেইজাতে? হ্যা বিশেষ প্রয়োজনে আমাদেরকে পেইজা একাউন্টে ফান্ড অ্যাড কিংবা ডিপোজিত করার প্রয়োজন হতে পারে। বিশেষত যারা অনেকেই অনলাইনের সাথে সম্পর্কযুক্ত এবং গেটওয়ে পেমেন্ট হিসাবে পেইজা সাপোর্ট করে সেই ক্ষেত্রে পেইজা একাউন্ট আপনার সহায়ক এবং ফান্ড যোগ করার প্রয়োজন হতে পারে।

কিভাবে পোইজাতে ফান্ড অ্যাড কিংবা অর্থ ডিপোজিত করবেন?

১। প্রথমে আপনার পেইজা একাউন্ট লগইন করুন > Add Funds অংশে যান। উল্লেখ্য এখানে প্রায় ৪ টি পদ্ধতিতে ফান্ড অ্যাড করা যাবে এবং ক্ষেত্র বিশেষ ফি প্রদান করতে হবে। তবে সহজ হিসাবে মনে করি, পেইজা একাউন্টে আপনার ব্যাংক একউন্ট অ্যাড ও ভেরিফাই করা আছে সেই হিসাবে আপনার ব্যাংক একাউন্ট হইতে সরাসরি পেইজাতে অর্থ ডিপোজিত করতে পারবেন।
২। সুতরাং Bank Account নির্বাচন করুন > নিম্নরুপ একটি চিত্র আসবে সেখানে আপনাকে টাকার সংখ্যা লিখে নেক্সট বাটনে ক্লিক করলেই ফান্ড অ্যাড হবার প্রসেস শুরু হবে। এবং ইমেইলে বার্তা পাইবেন।

 জ্ঞাতব্য বিষয়ঃ

ক। ব্যাংক একাউন্ট হইতে ফান্ড যোগ করতে সর্বনিম্ন ৫০০/৳ ডিপোজিত করতে হবে তার নিচে নই।
খ। ব্যাংক একাউন্ট হইতে ট্রান্সজেকশন এর সময় ১-২ দিন লাগতে পারে অপরদিকে পেইজাতে ফুল প্রসেস হইতে ৩-১৫ দিন সময় লাগে।
গ। ক্ষেত্র বিশেষ ব্যাংক চার্জ কাটা হতে পারে বিভিন্ন ব্যাংকের চার্জ ফি ভিন্ন রকম। যেমন ৩%-৫%। তবে আমার ইসলামি ব্যাংকের একাউন্ট অ্যাড করা আছে, ডিপোজিত করেছি পরীক্ষামূলক ভাবে ৫০০৳। কিন্তু কোন চার্জ কাটেনি!!
ঘ। ব্যাংক একাউন্ট হইতে ফান্ড যোগ করতে হলে পূর্ব হতেই আপনার পেইজা একাউন্টে ব্যাংক একাউন্ট যোগ থাকতে হবে এবং ভেরিফাই একাউন্ট হতে হবে।
ঙ। ব্যাংক একাউন্ট হইতে ফান্ড যোগ করলে তা বাংলাদেশী কারেন্সীতে যোগ হবে। তবে পরবর্তীতে তা অন্য মুদ্রাতে কনভার্ট করা যাবে (তবে এই সুবিধাটি পেইজা অচিরেই যোগ করবে)

কাজের প্রমাণাদি হিসাবে আমার কিছু চিত্র

ক। ইমেইলে বার্তা-
খ। লেনদেনের সামারি-

 ফান্ড অ্যাড করার আরো কিছু মাধ্যম

উপরের পদ্ধতি প্রয়োগ করলাম যাদের নিজস্ব ব্যাংক একাউন্ট আছে। তথাপি অন্য কোথাও ধরনা দেবার প্রয়োজন না পড়ে। এবং ব্যাংক একাউন্ট হইতে লেনদেন করলে ট্রানজেকশন কপি দেখে বুঝা যাবে কোথা হইতে, কোন তারিখে, কোন টাকার লেনদেন করেছেন।
ফান্ড সংযুক্ত করবার আরেকটি পদ্ধতি হল Over the Bank Counter। এটা শুধুমাত্র পেইজা অনুমোদিত বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের অনুমোদিত শাখা গুলোতে করতে পারবেন, তাও আবার ঢাকাতে। এখানে প্রায় ২/১ ঘন্টার মধ্যই আপনার পেইজাতে ফান্ড যোগ হয়ে যাবে এবং যে কোন কারেন্সীতে ফান্ড যোগ করতে পারবনে। সাথে আপনার ভোটার আইডি, পেইজা এড্রেস, এবং গোপনীয় পিন সম্বর তাদেরকে প্রদান করতে হবে। সুতরাং বুঝতেই পারছেন এই কাজটি কতটা ঝামেলার এবং সবার পক্ষে ঢাকা যাওয়া সম্ভব নই।
আরো বেশ কিছু পদ্ধতি রয়েছে যেমনঃ কোন ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ফান্ড যোগ করা। অবশ্য সেটি তাৎক্ষনিকভাবে যোগ হবে এবং ৭% ফি প্রদান করতে হবে।

এক্সজেঞ্চার লেনদেন পদ্ধতি

এবং হ্যা কোন এক্সজেঞ্চার যদি লেনদেন করেন সেখানেও ফান্ড অ্যাড করার সুবিধা পাবেন। এক্সজেঞ্চার বলতে কোন প্রতিষ্ঠান কিংবা ব্যক্তি বুঝানো হচ্ছে। যেমনঃ আমার পেইজা একাউন্টে যথেষ্ট পরিমাণ ফান্ড আছে এবং প্রয়োজনের তাগিদে অন্য কোন পেইজা একাউন্টে কিংবা ঠিকানাতে ট্রান্সফার/লেনদেন করি তাহলে সেটাই হবে এক্সজেঞ্চার ট্রানজেকশন। এখানে এক একাউন্ট হইতে অন্য একাউন্টে ফান্ড যোগ হইতে সময় নেয় মাত্র ৩০-৬০ মিনিট। ক্ষেত্র বিশেষ ১ মিনিটের মধ্যও ফান্ড অ্যড হতে পারে। পেইজা টামর্স অনুযায়ী কোন ফি নাই।
তবে ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান যদি কমিশন চায় সেটি ভিন্ন কথা!! আরেকটি ব্যাপার যার সাথে লেনদেন করবেন একটু বুঝে শুনে করাটাই শ্রেয়! কারন, এই ক্ষেত্রে ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের প্রতারনার বিষয়টাও নতুন কিছু নই।

সারকথা

পেইজাতে ফান্ড যোগ করার বিষয়ে আর তেমন কোন তথ্যাদি নাই। যা জানার বিষয় ছিল সেটা জানিয়ে দিলাম। আশা করি টিউটোরিয়ালটি অনুসরন করে অনেকেই পেইজাতে ফান্ড একাউন্ট যোগ করতে পারবেন এবং প্রয়োজনে বিশেষ কাজে লাগাতে পারবেন। তারপরেও কোন তথ্যাদি জানার থাকলে টিউমেন্ট করার আহবাণ রাখছি।
 

Sunday, September 6, 2015

আপনার ডোমেইন ও হোস্টিং কেনার আগে যেসব বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখবেন ?

খুবই গুরুত্বপূণ। হোস্টিং ও ডোমেইন কেনার আগে যেসব বিষয়ের দিকে সবসময় লক্ষ্য রখতে হয় ? তাই নিয়ে আজ কথা বলবো।
বর্তমানে, আমাদের তরুন প্রজন্মরা ওয়েবসাইট তৈরী থেকে শুরু করে ওয়েবসাইট ডিজাইন, টেমপ্লেট তৈরী সহ এর বিভিন্ন শাখায় কাজ করছে।এছাড়াও ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক প্রয়োজনে ওয়েবসাইট তৈরী ও ব্যবহার করতে হয়।এসব কিছু করার জন্য দরকার হয় ভালোমানের হোস্টিং ও ডোমেইন। এখন বর্তমানে, বাংলাদেশে অহরহ হোস্টিং প্রোভাইডার গড়ে উঠেছে। কেউ জেনে শুনে এ ব্যবসা সর্ম্পকে ধারণা নিয়ে ব্যবসা করছেন, আবার অনেকে না জেনেই। এগুলোর মধ্যে সবাই ভালো মানের সার্ভিস প্রদান করে না, কেউ কেউ নিম্ন মানের হোস্টিং দিয়ে খাকে, কারো কারো কাস্টোমার সার্ভিস ভালো না, আবার হোস্টিং ব্রিক্রি করার পর কাস্টোমারদের সার্পোট দেয় না। এমন অনেক সম্যসার সম্মুখীন হতে হয়। তাহলে আসুন জেনে নেই, হোস্টিং ও ডোমেইন কেনার আগে যেসব বিষয়ের দিকে সবসময় লক্ষ্য রখতে হয়।
হোস্টিং কেনার আগে যেসব বিষয় লক্ষ্য রাখবেন:
Netcone Hosting
Different types of web hosting space

কোন সাইট হোস্ট বা্ পরিচালনা করার জন্য ভালোমানের হোস্টিং খু্বই দরকার। যদি মনে করেন যেকোন হোস্টিং নিলেই হবে, সেটা মনে করাটাই বড় ভূল আপনার জন্য্।হোস্টিং বিভিন্ন মানের হয়ে থাকে, সেটা হয়ত অনেকে জানে আবার কেউই জানে না।তাই হোস্টিং কেনার আগে আপনাকে নিচের বিষয়গুলো অবশ্যই লক্ষ্য করতে হবে -
হোস্টিং স্পেস :
আপনি আপনার সাইট এর জন্য কি পরিমান স্পেস/ জায়গা লাগবে সেটা নিভর্ করবে আপনি কত দিন এই ওয়েবসাইট টি পরিচালনা করবেন, তারপর চিন্তা করবেন আপনার সাইট ব্যবহারকারীর উপর। হোস্টিং স্পেস বিভিন্ন মানের হয়, HDS SPACE, PURE SSD SPACE, SSD CATCHED এরকম মানের। এসব মানের মধ্যে PURE SSD SPACE সবচেয়ে দ্রুত গতির ও মানসম্পন্ন। HDS SPACE এর চেয়ে PURE SSD SPACE ৫০x দ্রুত গতিসম্পন্ন। এতে আপনার সাইট লোড নিতে সময় লাগবে অনেক কম। SSD CATCHED হোস্টিং স্পেস হলো HDS+SSD MIXED। PURE SSD SPACE অনেক ধরন মানের হয় যেমন RAID 6, RAID 10। RAID 10 PURE SSD এ ভালো এগুলোর মধ্যে। তাই হোস্টিং কেনার আগে আপনাকে এ বিষয়গুলো অবশ্যই দেখতে হবে।
ব্যন্ডউইথ :
ব্যন্ডউইথ হলো আপনার ওয়েবসাইটে যত নপরিমান ভিজিটর আসবে তার উপর ব্যন্ডউইথ খরচ হবে। পার ভিজিটর এবং যত পেইজ ভিউ করবে সে অনুযায়ী ব্যন্ডউইথ খরচ হতে থাকবে।ব্যন্ডউইথ প্রিমিয়াম ও হয়ে থাকে আবার নরমা্ল হয়। সেজন্য নরমাল ব্যন্ডউইথ খরচ কমানো জন্য অনেক হোস্টিং প্রোভাইডার তাদের সার্ভারে ক্লাউডফ্লেয়ার ব্যবহার করে, তাদের ইউজারদের ব্যন্ডউইথ কম খরচ হ্ওয়ার জন্য কিন্তু অনেক হোস্টিং প্রোভাইডার সার্ভারে ফ্রি ক্লাউডফ্লেয়ার ব্যবহার করে।সেটা হয়ত আমরা জনিই না্। ক্লাউডফ্লেয়ার হোস্টিং প্রোভাইডার সার্ভারে ব্যবহার করা ভালো।প্রিমিয়াম ব্যন্ডউইথ দ্বারা সহজেই ইউজারদের ব্যন্ডউইথ কম খরচ হয়। এটা নরমাল ব্যন্ডউইথ থেকে ভালো।
আর একটা কথা বলে রাথা ভালো, অনেক ইউজারা আনলিমিটেড স্পেস ও ব্যন্ডউইথ চাই। আপনি যে পিসি তে বসে আমার লেখাটা পরছেন সে পিসিটার কি ডিস্ক স্পেস কি আনলিমিটেড ? কখনই আনলিমিটেড না। পৃথিবীতে যত সার্ভার (ডাটা সেন্টার) আছে, তার সবগুলোর ডিস্ক স্পেস এর  লিমিট আছে। তবে অনেক হোস্টিং প্রোভাইডার আছে, যারা অনেক শর্ত ও কন্ডিশন দিয়ে ডিস্ক স্পেস ব্যবহার  এর ক্ষেত্রে যা,(terms & condition) পেজ থাকে, যা আমরা কেউই পড়ি না । পরে সে অনুযায়ী ডিস্ক স্পেস ব্যবহার না করলে তারা সাসপেন্ড করে দেয়। তাই আপনি যতটুকু স্পেস ও ব্যন্ডউইথ কিনবেন ততটুকু ব্যবহার করবেন। পৃথিবীতে সব কিছুরই একটা লিমিট আছে। আপনার কাছে আনলিমিটেড হবে সেটাই যেটার লিমিট আপনি ক্রস করতে পাবেন না।
হোস্টিং আপটাইম:
হোস্টিং এর ক্ষেত্রে আপটাইম একটি খুবই গুরুত্বর্পূন বিষয়। হোস্টিং আপটাইম অনুযয়ী আপনার সাইট লাইভ থকবে। ৯৯.৯% আপটাইম দেখে আপিনি হোস্টিং নির্বাচন করবেন। অনেক কোম্পনী আপনাকে বলবে ৯৯.৯% আপটাইম। কিন্তু অপনি প্রকৃতপক্ষে সেটা পাবেন না। তাই হোস্টিং কেনার আগে আপনাকে হোস্টিং আপটাইম চেক করে নিতে হবে। এজন্য কোম্পানীর ইউজেস পলিসি পেজ দেখতে পারেন।
হোস্টিং এর ধরন:
আপনার কোন ধরনের হোস্টিং প্রয়োজন সে অনুযায়ী অর্ডার করুন। উইন্ডোজ এবং লিনাক্স হোস্টিং এর মধ্যে আপনার কোনটি দরকার জেনে নিন নেয়ার আগে।উইন্ডোজ থেকে লিনাক্স হোস্টিং সবাই ব্যবহার করে থাকে।
হোস্টিং কোম্পানীর অবস্থা:
হোস্টিং কেনার আগে তাদের প্রতিষ্ঠানের অবস্থা ও সার্ভিস নিয়ে জানার চেস্টা কররেন। তাদের লাইভ চ্যাট সার্পোট, ফোন ও স্কাইপে কথা বলুন। তাদের সার্ভিস ব্যবহার করে এমন কারও ফিডব্যক নিতে পারলে ভালো হয়। তাদের সার্ভারের অবস্থান জানুন। সকল কিছু বিবেচনা করে আপনার হোস্টিং প্যাকেজ অর্ডার করবেন।
ফিচারসমূহ:
হোস্টিং কেনে নেয়ার আগে তাদের হোস্টিং প্যাকেজে প্রদানকৃত ফিচারসমূহ জেনে নিন।অনেক হোস্টিং প্রোভাইডার্ই আনলিমিটেড ফিচারসমূহ দেয় না। অনেক প্রোভাইডারই ৫, ১0, ১৫ টা এর বেশি এডঅন ডোমেইন, সাবডোমেইন, ইমেইল, MySQL দেয় না সেক্ষে আপনার প্রয়োজনের সাথে যদি মিল হলে তখন সেখান থেকে হোস্টিং ক্রয় করবেন। আর যদি আনলিমিটেড ফিচারসমূহ দেয় তাহলেতো সমস্যাই নাই।
সাপোর্ট:
হোস্টিং এর জন্য সাপোর্ট খুবই গুরুত্বপুণ বিষয়। আপনার হোস্টিং কেনার পর যে কোন প্রকার সমস্যা দেখা দিলে তাদের কাছ থেকে সাপোর্ট নিতে হবে। সাপোর্ট পেতে আপনাকে কয়েকদিন সময় লাগলে আপনি আপনার সাইটের লক্ষ লক্ষ ভিজিটর হারাবেন। আর আপনি রিসেলার হলে তো কথাই নাই। আপনার ক্লাইন্ট আপনাকে সমস্যা জিজ্ঞাসা করবে কিন্তু আপনি কোন উত্তর দিতে পারবেন না। তাই কোন হোস্টিং প্রোভাইডার হোস্টিং কেনার আগে তাদের 24/7 লাইভ চ্যাট আছে কিনা, তারা স্কাইপ সার্পোট দেয় কিনা সেগুলো দেখে নিবেন।
মানি ব্যাক গ্যারান্টি:
হোস্টিং এর ক্ষেত্রে মানি ব্যক গ্যারান্টি একটি গুরুত্ববহ বিষয়। আনেক প্রোভাইডারই ৩০ দিন মানি ব্যাক গ্যারান্টি দিয়ে থাকে। এটা দেখে নিবেন। অনেকে প্রোভাইডার্ মানি ব্যাক গ্যারান্টির কথা বললেও, কথায় ও কাজে মিল খুজে পাওয়া যায় না। সেটা অনেক প্রোভাইডার ইউজারকারী থেকে শোনা।
ডোমেইন কেনার আগে যেসব বিষয় লক্ষ্য রাখবেন:
Netcone domain provider
Must Have Domain Features

ডোমেইন ক্রয় করার আগে প্রোভাইডার্ গুলোর কাছে যেগুলো জানতেই চাইবেন :
• আপনি আপনার ক্রয়কৃত ডোমেইন এর কন্ট্রোল প্যানেল দিবে কিনা।
• আপনি হোস্টিং পরিবতন করার জন্য, নেমসার্ভার আপনি নিজে যখন খুশি পরিবতন করতে পারবেন নাকি ?
• ডোমেইন এর সাথে DNS MANGAEMENT, EMAIL FORWARDING, ID PROTECTION এসব এডঅন দিবে নাকি।
• ডোমেইনটা আপনি যে হোস্টিং প্রোভাইডার্ই থেকে হোস্টিং নিয়েছেন সেখান থেকে নিবেন।তাতে আপনি ডোমেইন এবং হোস্টিং সার্ভিস একই সাথে পাবেন।
• বাংলাদেশি প্রোভাইডার কাছ থেকে ডোমেইন নেয়া ভালো, কারন আপনি বিদেশি কোম্পানীর চেয়ে ভালো সার্ভিস পাবেন এরকম অনেক প্রতিষ্ঠানই এখন বাংলাদেশে আছে। তাছাড়া বিদেশি কোম্পানীর কাছে ডোমেইন নিতে আপনাকে ডলারে পেমেন্ট পরিশোধ করতে হবে। যেখানে বাংলাদেশি প্রভাইডারের কাছ থেকে নিলে আপনি টাকায় পেমেন্ট করতে পারবেন।
• লোভনীয় অফারে ডোমেইন কিনতে হলে আগে ভালে করে অফার সম্পর্কে পরিস্কার ধারনা নিন।

Tuesday, September 1, 2015

অনলাইন ইনকাম

তুমি কি বাংলাদেশে থাকো? তুমি কি অনলাইনে আয় রোজগারের সঠিক উপায় খুঁজছ? তাহলে আমার এই নিবন্ধটি পড়ো। এটি তোমার জন্য একটা সহায়ক হিসেবে কাজ করবে। কারণ, অনলাইনে যে কিভাবে ঘরে বসে অনেকভাবে অর্থ উপার্জন করা যায়, তা এই নিবন্ধ পড়লে তুমি জানতে পারবে। আমি তোমাকে বলে রাখতে চাই যে, অনলাইনে আয় করা বাস্তব জীবনে আয় করার মতোই কঠিন। এখানে এমন কিছু রাস্তা আছে যেগুলোতে কাজ শুরু করা সহজ। কিন্তু এগুলো থেকে বেশি টাকা আয় করা যায় না। এর তুলনায় অন্যান্য উপার্জনের পন্থায় ভালো আয়ও হয় আবার তা ধারাবাহিকভাবেও বজায় থাকে। বাংলাদেশ থেকে অনলাইন আয় রোজগারের উপায়গুলো নিম্নে উপস্থাপন করলাম। আশা করি তোমাদের ভাল লাগবে।

১। প্যাড রিভিউ-এর মাধ্যমে আয় রোজগার:
সার্ভে বা জরিপ একটা পুরাতন পদ্ধতি আর আমার মনে হয় তুমি এ বিষয়ে জানো। “সার্ভে” সাইটে তুমি গিয়ে নিবন্ধিত হবে আর সার্ভে বা জরিপ আসার অপেক্ষা করবে; সার্ভে ফর্ম পূরণ করে তোমার মতামত জানাবে, ব্যস! প্রতিটি সার্ভের জন্যে তুমি টাকা পাবে। এখানে, এমন কিছু ব্যবস্থাও আছে যেখানে, ইমেইল পড়ার ও জবাব দেওয়ারও কাজ থাকে। সার্ভে সাইট হিসেবে অন্যতম জনপ্রিয় সাইট হচ্ছে-সার্ভে সেভী।
২। নিবন্ধ লিখে আয় রোজগার
এমন অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলো পাঠকদের লেখায় আপডেট হতে থাকে। কোন কোন সাইটে তারা লেখকদের সাথে মুনাফা ভাগ করে নেয়। তুমি এখানে বিভিন্ন নিবন্ধ লিখতে পারো আর তোমার আর্টিকেল বা নিবন্ধ যতো বেশি পাঠক পড়বে, তুমি ততো বেশি টাকা পাবে। “শুভং” নামক একটা ওয়েবসাইট আছে যারা তাদের লেখকদের সাথে শতকরা ১০ ভাগ গুগল এডসেন্স-এর লভ্যাংশও ভাগ করে নেয়।
৩। পিটিসি বা প্যাড-টু-ক্লিক এ আয় রোজগার
পিটিসি বা প্যাড-টু-ক্লিক এর সাহায্যে তুমি ওয়েবসাইট(শুধুমাত্র স্পনসরড্ সাইটগুলো‌)ব্রাউজ করার জন্যে টাকা পাবে। এতে আরো উপায় আছে যাতে ওয়েবসাইট সার্ফ করে, ওয়েবসাইট দেখে আর ওয়েবসাইট সার্চ করে টাকা উপার্জন। সত্যকথা বলতে কি, এই সাইটগুলো আয়ের তুলনায় অনেক বেশী সময় অপচয় করে। এরা তোমার একেক ইউনিট এডের পেছনে তোমার ব্যয়ের তুলনায় খুবই কম টাকা দেয়। একটা জনপ্রিয় পিটিসি সাইট যারা ভালো অর্থ প্রদানও করে থাকে সেটি হচ্ছে- বাক্স টু।
৪। তোমার তোলা ছবির মাধ্যমে অর্থ উপার্জন
যদি তুমি একজন ফটোগ্রাফার বা চিত্রগ্রাহক হয়ে থাকো, তবে তোমার তোলা আকর্ষণীয় ছবিগুলো অনলাইনে বিক্রি করতে পারো। অনলাইনের ডিজাইনাররা তাদের প্রজেক্টের জন্যে অনেক ছবি খুঁজে থাকেন, তুমি তাদের নিকট তোমার ছবিগুলো বিক্রি করতে পারো। তুমি তোমার ছবিগুলো আই-স্টক-ফটোস্‌ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিক্রিও করতে পারো।
৫। গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে আয় রোজগার
গুগল এডসেন্সে আয় করার জন্যে তোমার একটা সচল ওয়েবসাইট অথবা ব্লগ প্রয়োজন। তুমি নিশ্চয়ই দেখেছো এমন বিলবোর্ড বা টিউনার যেখানে তারা(জনৈক অসাধু ব্যবসায়ীরা) দাবি করে যে, তুমি এখান ১০ থেকে ২০ ডলার দৈনিক আয় করতে পারবে- এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা! গুগল এডসেন্স থেকে ইনকাম হয় তখন যখন, কেউ গুগলের সেসব এডে ক্লিক করে। কিন্তু, এখানে ইনকাম করার পূর্বে তোমাকে একটা তথ্যসমৃদ্ধ ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে হবে। কিন্তু, তোমাকে সেসব নকল এডসেন্স শেখার জায়গায় এই শেখানো হয় যে, কিভাবে চুরির লেখা দিয়ে একটা নকল ওয়েবসাইট বানাতে হয়, এটাতো আসল নয় কারণ এটা একটা ধোঁকাবাজি।
৬। তোমার মতামত প্রকাশের জন্যে টাকা পাবে
হ্যাঁ, এটিই নতুন দিনের আয় রোজগার মাধ্যম, এখন তুমি টাকা নিয়ে যেকোন ওয়েবসাইট বা কোম্পানির ব্যাপারে তোমার মতামত দিয়ে একটা নিবন্ধ লিখে ফেলো তোমার ব্লগে। প্যাড রিভিউ সাইটগুলো কল্যাণে, এখন তারা(কোম্পানি বা ওয়েবসাইটগুলো) তোমাকে তাদের ব্র্যান্ড, পণ্য বা ওয়েবসাইটের বিষয়ে লেখার জন্যে অর্থ পরিশোধ করবে। তোমার এই মতামত বা ব্লগ তাদের নিয়ে বাজারে আলোড়ন সৃষ্টি করবে আর তারা পাবে অধিক পাঠক ও ক্রেতা। এরকম একটা জনপ্রিয় প্যাড রিভিউ সাইট হচ্ছে-সোস্যাল সম্পর্ক।
৭। এফাইলিয়েট মার্কেটিং-এর মাধ্যমে আয় রোজগার(সেবামূলক গোষ্ঠীর সাহায্য করা)
এটি একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে তুমি তোমার ওয়েবসাইটে কোন পণ্যের প্রচার করবে আর যখন পণ্য বিক্রি হবে, তখন তুমি এর থেকে কমিশন পাবে। এখানে অনেক আধুনিক আর ভালো পণ্য আছে যেগুলো বিক্রি করা যায় আর মানুষ কিনতেও আগ্রহী; তুমি একজন এফাইলিয়েট হয়েও কাজ করতে পারো। তুমি “ক্লিক ব্যাংক”-এর মাধ্যমে একজন এফাইলিয়েট হয়ে পণ্য বিক্রয় করতে পারো।
৮। ব্যানার এডস্‌ বা “ব্যানার” জাতীয় বিজ্ঞাপন বিক্রি করে আয় রোজগার
যদি তোমার একটা প্রতিষ্ঠিত ওয়েবসাইট বা ব্লগ থাকে, তবে বিজ্ঞাপনদাতারা তোমার ব্লগে তাদের বিজ্ঞাপন দিতে দ্বিধাবোধ করবে না। একেই বলে, ব্যানার এডস্‌ অথবা সরাসরি ইনকামের সুযোগ। তোমার ওয়েবসাইটের জনপ্রিয়তা যতো বেশি হবে তোমার পাঠক সংখ্যা বাড়বে ততো বেশি হবে আর তোমার আয়ও বাড়তে থাকবে।
৯। ফ্রি-লেন্সিং বা অস্থায়ী কর্মী হিসেবে অর্থ উপার্জন
ঘরে বসে ফ্রি-লেন্সিং করা আয় রোজগারের একটা চমৎকার সুযোগ। তোমার যদি ডাটা এন্ট্রি, গ্রাফিক্স ডিজাইন অথবা এডমিনিস্ট্রেশন বা তদারকির কাজে দক্ষতা থাকে তাহলে, তুমি অনলাইনে এসব কাজ করে আয় রোজগার করতে পারো। তুমি চাইলে ফ্রিলেন্সিংভিত্তিক একটা ক্যারিয়ারই গড়ে তুলতে পারো।
১০। টুইটার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আয় করা
বিজ্ঞাপনদাতাগণ বর্তমানে তাদের ক্যাম্পেইন বা বিজ্ঞাপন উদ্যোগগুলো “টুইটার” বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে চাচ্ছেন। এজন্যে, তোমার কোন ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইট থাকারও প্রয়োজন নেই। এমন অনেক কোম্পানি রয়েছে, যারা টুইটার বিজ্ঞাপনের কাজ করে থাকে যেমন- মেগ-এ-পাই।
অনলাইনে আয়ের টাকা বাংলাদেশে কিভাবে পাবে?
১. চেকে টাকা পাওয়া
এটা একটা ব্যাংকের চেক যেটি তুমি যেকোন ব্যাংক থেকেই উত্তোলন করতে পারবে। এডসেন্স ও অন্যন্য সাইট এরকম চেকে টাকা পাঠিয়ে থাকে। এটা বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর সবচেয়ে সাধারণ ও জনপ্রিয় মাধ্যম।
২. পেপ্যাল-এর মাধ্যমে টাকা পাওয়া
পেপ্যাল টাকা পাওয়ার একটি জনপ্রিয় মাধ্যম, যেটি তোমাকে অনলাইনে টাকা পেতে সাহায্য করবে। অবশ্য, এখনও পেপ্যাল বাংলাদেশে আসেনি কিন্তু শীঘ্রই আসবে।
৩. পেওনিয়ার প্রিপেইড ডেবিট মাস্টারকার্ড
এটা বাংলাদেশে অনলাইনের টাকা পাওয়ার জন্যে নতুন একটা রাস্তা। তুমি ওডেস্ক থেকে মাস্টারকার্ড পেয়ে সেই কার্ড থেকে টাকা উঠাতে পারো। পড়ে নাও-বাংলাদেশে ওডেস্ক পেওনিয়ার প্রিপেইড ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে অর্থ প্রাপ্তি।
৪. মানিবুকারস্‌ থেকে টাকা প্রাপ্তি
মানিবুকারস অনেকটা পেপ্যালের মতোই। আর এটা তোমার ব্যাংক একাউন্টের মতনও। বাংলাদেশে এটা প্রচলিত আছে।
৫. এলার্টপে
এর মাধ্যমে টাকা পাওয়া। এটিও পেপ্যালের মতোই আর বাংলাদেশে প্রচলিত আছে। তুমি এর টাকা ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন থেকে উঠাতে পারো।
৬. ই-গোল্ড ব্যবহার টাকা প্রাপ্তি
পেপ্যালের মতোই ই-গোল্ড।
আমি অনলাইনে কত টাকা আয় করতে পারবো?
এটা তোমার পরিশ্রম, দক্ষতা আর পদ্ধতির উপর নির্ভর করবে, তুমি চাইলে ৫০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা প্রতি মাসে আয় করতে পারবে। আয় সম্পূর্ণ নির্ভর করে তোমার বিশ্বস্ততা ও পরিশ্রমের উপর। এখন, তুমি চাইলে ১৫,০০০ থেকে ৩০,০০০ টাকা বা উপরে ৫০,০০০ প্রতি মাসে উপার্জন করতে পারো। আমার একটা পরামর্শ নিতে পারো, এখানে সত্যিই অনেক টাকা বানানো যায় আর এটা কোন ফাজলামো নয়, তুমি যাই করো গম্ভীর হয়ে করবে আর কঠোর পরিশ্রম করবে। কখনো চুরি, ধোঁকাবাজি করবে না আর তোমার কাজের প্রতি সৎ থাকার চেষ্টা করবে।