Online Earn, Tech Live BD: অ্যান্ড্রয়েড
Showing posts with label অ্যান্ড্রয়েড. Show all posts
Showing posts with label অ্যান্ড্রয়েড. Show all posts

Saturday, November 14, 2015

মাএ ১০ মিনিট কাজ করে ফ্রিতে রির্চাজ করুন ১০০ টাকা ছোট একটি এন্ড্রোয়েড এপ দিয়ে


আজকে আমি আপনাদের দেখাবো কিবাবে আপনার এন্ড্রয়েড ফোন দিয়ে ইন্টারনেট থেকে আয় টাকা আয় করবেন খুব সহজে এবং আয় করা টাকা সাথে সাথে আপনার মোবাইলে রির্চাজ করবেন। সামান্ন কিছু কাজ করে।চলুন তাহলে সুরু করা জাক
যা যা করতে হবে।
১/ এজন্য আপনাকে WHAFF Rewards নামে একটি সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে হবে গুগুল প্লে স্টর থেকে মাএ 12 mb।
২/ডাউনলোড করে ফেসবুক আইডি দিয়ে লগইন করতে হবে। বয় পাবেন না  এটা আপনার ফেজবোক আইডির কোন ক্ষতি করবে না। আপনে চাইলে আপনার ফেক একটি আইডি ব্যবহার করতে পারেন।
৩/ফেজবোক আইডি দিয়ে লগিং করার পর আপনে welcome bonus পাবেন $ আর তারপর চাইবে, Enter Your Invitation code এর নিচে খালিঘরে(CH07419) লিখে বা লেখাটি কপি করে Enter your invition code  এ দিয়ে OK ক্লিক করুন। আপনার কাজ শেষ।আপনি সাথে সাথে পেয়ে যাবেন আরো ৫০ টাকার।  বি: দ্র:  এই code না লিখলে আপনি ৫০ টাকা  পাবেন না। তাই সাবধনতার সহিত code CH07419 টি লিখুন।
৪/WHAFF Rewards আপনাকে প্রতিদিন কিছু এপ  ডাউনলোড এর জন্য দিবে আপনে সেই এপ গুলা ডাউনলোড করলে টাকা পাবেন। জেমন কোন এপ ডাউনলোডে ১০ টাকা আবার কোনটা ১৫/২০ টাকা করে দেবে।এর চেয়ে বেসি দেয় আবার কম ও দেয়। আপনে এবাবে ও কামাতে পারবেন।
৫/ WHAFF Rewards এর সব চেয়ে বড় সুবিদা হলো এটা রেফারেল সিসটেম মানে আপনে কাউকে জয়েন করালে আপনে পাবেন ৫০ টাকা।লগইন করার পর আপনাকে একটিInvitation কোড দেওয়া হবে যেমন: CH07419 আপনার বন্ধুকে WHAFF Rewards এ invite করে আপনি প্রতি বন্ধুরকাছ থেকে পাবেন ৫০ টাক।আপনার বন্ধু আপনার invitation কোড দিয়ে লগইন করলেই তা আপনার WHAFF Rewards অ্যাকাউন্টে যোগ হয়ে জাবে।
/ডেইলী ফ্রি Rewards বোনাস,ঃ আপনে প্রতিদিন এপটি ওপেন করলে পাবেন ০.০১$ ডলার
৭/play bonusঃ WHAFF Rewards থেকে ডাউন লোড করা প্রতিটা এপ আপনে প্রতিদিন ওপেন করলে পাবেন ০.০১$ডলার।
৮/ rewards everyday একটা ওপসন আছে ওটাতে ক্লিক করলে পাবেন ০.০১$।
WHAFF Rewards এ পাবেন আরো অনেক সুবিদা
ওদের মিনিমাম পে আউট ১০০ টাকা
আপনে মন দিয়ে কিছু সময় কাজে করলেই ১০০ টাকা রিচাজ করতে পারবেন। জিবনে তো আনেক মেগাবাইট খরচ করেছেন এবার মাএ ২০ মেগাবাইট খরচ করে দেখেন।

Friday, October 16, 2015

যে কোনো অপরেটরে ইন্টারনেট চালান সম্পূর্ণ ফ্রিতে


বর্তমান ৩জি জগতে ইন্টারনেট স্পিড ভালো।কিন্তু দামের দিক দিয়েও তাদের তুলনা নেই।তাই বেশি ভাগ মানুষই ইন্টারনেট চালানোর মজা উপভোগ করতে পারে না।কিন্তু আর না!আজ আপনাদের এমন এক পদ্ধতি শিখাব যার মাধ্যমে গ্রামীণফোনে ফ্রিতে নেট ব্যবহার করতে পারবেন।এর জন্য আমাদের দুটি সফটওয়্যার দরকার।একটি দিয়ে আপনার পিসির আইপি এড্রেস হাইড করবেন এবং অপরটি দিয়ে আপনার পিসির জন্য একটি নতুন আইপি এড্রেস Create করবেন। সফটওয়্যার দুটি হোল Any Ip Hideএবং অপরটি হল IP AVC Creator।প্রথমে সফটওয়্যার দুটি ডাউনলোড করে নিনঃ

Any Ip Hide ডাউনলোড

IP AVC Creator ডাউনলোড

ডাউনলোড শেষ হলে নিন্মের ধাপ গুলো অনুসরণ করুন:
১. Any Ip Hide ওপেন করুন
২.Hider ট্যাব এ ক্লিক করুন
৩.Hide IP তে ক্লিক করুন
আপনার একটি কাজ শেষ এবার অপর সফটওয়্যারের কাজ শুরু
৪. IP AVC Creator ওপেন করুন
৫.Create A New IP & Fix এ ক্লিক করুন
আপনার কাজ শেষ এখন আপনি ফ্রিতেই নেট চালাতে পারবেন।আপনার কোন টাকা খরচ করতে হবে না।আপনার নেট স্পীড ১-২ Mbps হবে।তাই দেরি না করে ফ্রি নেট চালানো সুরু করেন।এতে ধরা খাওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই।কারন সুরু তেই আপনি আপনার পিসির ম্যাক এড্রেস চেঞ্জ করে ফেলে ছেন।মজা করে ফ্রি নেট চালান।মজা করে ফ্রি নেট চালান।মজা করে ফ্রি নেট চালান।মজা করে ফ্রি নেট চালান।মজা করে ফ্রি নেট চালান।

আপনার সিমের Delete হয়ে যাওয়া Contact Number, Messages ইত্যাদি ফিরিয়ে আনুন.......!

আপনারা সবাই কেমন আছেন, আশা করি খুব ভাল আছেন এবং আগামিতে যেন সব সময়ভালো থাকেন Techtunes.Com.Bd এর পক্ষ থেকে এই কামনা রইলো।
নিচের লিনক থেকে Zip File টি নামিয়ে নিন।
আমরা বিভিন্ন সময়ে মোবাইল ব্যবহার করতে গিয়ে ইচ্ছে করে কিংবা ভুল করে মেসেজ অথবা সেভ করা নাম্বার ডিলেট করে ফেলি। কিন্তু পরে দেখা যায় ডিলেট হয়ে যাওয়া ওই মেসেজ এবং নাম্বার প্রয়োজন পড়ে যায়। তখন পরতে হয় বিড়ম্বনায়। কখনো কখনো অনেকে জরুরী কোন মেসেজ কিংবা নাম্বার ডিলেট করে খুব বিপদে পরে যায়। কারণ এগুলো ফিরে পাওয়ার কোন পথ থাকেনা।

এখন থেকে এই বিপদ আপনি নিজে নিজেই কাটিয়ে উঠতে পারবেন। এর জন্য ছোট একটা সফটওয়্যার প্রয়োজন হবে। আপনাদের জন্য সফটওয়্যারটির ফুল ভার্সন আপলোড করেছি। মাত্র ৪৫০ কে.বি সাইজের ছোট
সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করতে এই লিংকে গিয়ে Data Doctor Recovery – SimCard.zip নামের সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন।

এবার আনজিপ করে সফটওয়্যারটি আপনার
কম্পিউটারে সেটাপ দিন। এবং রেজিষ্ট্রেশন করতে যে কোন নাম এবং ইমেইল দিয়ে টেক্সট ফাইলের মধ্যে থেকে ৪টি সিরিয়াল নাম্বারের যে কোন একটি
ব্যবহার করে সফটওয়্যারটি ফুল ভার্সন করে নিন। এবার সফটওয়্যারটি সম্পর্কে একটু বলে দেই। এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে আপনি যে কোন দেশের সব ধরনের GSM SIM Card এর মেসেজ অথবা নাম্বার রিকভার করতে পারবেন। ইনবক্স, আউটবক্স, ড্রাফট, সেন্ড আইটেম সকল জায়গা থেকে ডিলেট হয়ে যাওয়া মেসেজ যে সেন্ড করেছে তারনাম্বার সময়, তারিখ এবং জায়গার নামসহ
রিকভার করা যাবে। এর মাধ্যমে সিম কার্ডের IMSI নাম্বার, ICC মোবাইল আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার, সার্ভিস প্রোভাইডার নাম্বার এবং আরও অনেক তথ্যজানতে পারবেন। PC/SC অথবা Phoenix স্ট্যান্ডার্ড সিম কার্ড রিডার দিয়ে সিম
কানেক্ট করে এই সফটওয়্যারটি দিয়ে কাজ
করতে পারবেন।
সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা খুবই সহজ। এটি প্রচললিত সব ধরনের উইন্ডোজ যেমনঃ Windows 2000, Windows 2003, Windows XP, Windows 7, Windows Vista তে সাপোর্ট করে।
মনে রাখবেন, সিম কার্ড পিসি তে কানেক্ট করে এই সফটয়্যার দিয়ে কাজ করতে হলে আপনাকে অবশ্যই PC/SC অথবা Phoenix স্ট্যান্ডার্ড সিম কার্ড রিডার ব্যবহার করতে হবে। ইলেক্ট্রনিক্স দোকানে গিয়ে GSM SIM Card Reader খুজলেই পাবেন। আশা করি সবাই এখন থেকে কাজটি করতে পারবেন এবং অনেক উপকৃত হবেন।

Friday, September 4, 2015

অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস ফাস্ট করার কিছু কার্যকারী উপায়।

কেনার কিছুদিন পর অ্যান্ড্রয়েড চালিত যেকোনো ডিভাইস একটু স্লো হয়ে যাবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এরপরও ইচ্ছে করলেই আপনি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটির হারিয়ে যাওয়া গতি কিছুটা হলেও ফিরিয়ে আনতে পারেন। আর তাই গত পর্বের ধারাবাহিকতায় এবার থাকছে অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসকে ফাস্ট করার বাকি ৫ টি উপায়।

ক্যাশ পার্টিশন ডিলিট করে ফেলুন
এই ক্যাশ আর অ্যাপলিকেশনের ক্যাশের মধ্যে রয়েছে বিস্তর তফাৎ। এই ক্যাশ আপনার ফোনের যাবতীয় সব টেম্পোরারি ফাইলগুলো মজুদ করে রাখে যেগুলো অনেকাংশেই পরে আর প্রয়োজন হয় না। এ কারণেই এ পার্টিশনটি ক্লিয়ার করলে আপনার অ্যান্ড্রয়েড চালিত স্মার্ট ডিভাইসটি কিছুটা হলেও আগের থেকে দ্রুত কাজ করবে। আর এই ক্যাশ পার্টিশন ডিলিট করার জন্যে আপনাকে রিকভারি মোড বুট করতে হবে। যদি আপনি না জানেন কিভাবে রিকভারি মোডে বুট করতে হয় তাহলে গুগল করার এখনই আপনার উপযুক্ত সময়। একবার রিকভারি মোডে বুট হয়ে গেলে, ভলিউম কি উপরে নিচে চেপে অপশনগুলো থেকে wipe cache partition অপশনটি বেছে নিয়ে ডিলিট করে দিন আপনার অব্যবহৃত ক্যাশ পার্টিশনটিকে।

থার্ড পার্টি কোন লঞ্চার ব্যবহার করে দেখুন

কিছু কিছু ব্র্যান্ড তাদের ডিভাইসগুলোকে এমনভাবে তৈরি করে যা কিনা আপনার ডিভাইসের র‍্যামের বেশ কিছু অংশ দখল করে রাখে ফলশ্রুতিতে কিছুটা স্লো হয়ে যায় আপনার ডিভাইসটি। এমতাবস্থায় আপনি যদি চান তাহলে আপনার ডিভাইসের 'লুক & ফিল' পরিবর্তন করে দেখতে পারেন। কিছু থার্ড পার্টি অ্যাপ লঞ্চার আছে যাদের মাধ্যমে আপনার ডিভাইসে আগের থেকে কিছুটা দ্রুত নেভিগেট করতে পারবেন। এদের মধ্যে Nova Launcher, Go Launcher EX, Apex Launcher বেশ দ্রুত কাজ করে।

ফ্যাক্টরি রিসেট দিয়ে দেখুন
অনেক দিন ব্যবহারের পরে ডিভাইসটিকে মাঝে মাঝে রিসেট দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। কারণ হচ্ছে অনেক সময় যথেষ্ট নিরাপত্তা দেওয়ার পরও ডিভাইসে অনেক ম্যালওয়্যার অথবা জাঙ্ক ফাইল থেকে যায়। আর তাই ফ্যাক্টরি রিসেট দিলে অনেকাংশেই সেগুলো থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। ফ্যাক্টরি রিসেট দেয়ার জন্যে আপনাকে Settings > Backup & reset > Factory data reset এ প্রেস করতে হবে।

ওভার-ক্লক করে ফেলুন
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অনেক ম্যানুফ্যাকচারার তাদের ডিভাইসে ব্যাটারি ব্যাকআপ বৃদ্ধির জন্যে প্রসেসরের স্পীড লিমিট করে রাখে। যে কারণে প্রসেসর ফুল স্পীডে কাজ করতে পারে না। এখন ইচ্ছে করলেই আপনি আপনার ডিভাইসকে ওভার-ক্লক করে নিতে পারেন তবে অবশ্যই আপনার ডিভাইসটির রুট এক্সেস থাকতে হবে। ডিভাইসটি যদি রুট করা থাকে তাহলে খুব সহজেই SetCPU অথবা Android Overclock অ্যাপ ব্যবহার করে ওভার ক্লক করে নিতে পারেন। আর কাজটা অবশ্যই খুব সতর্কতার সাথে করা জরুরি।

অন্য কোন কাস্টম রম ব্যবহার করে দেখুন
অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের পারফর্মেন্স বাড়ানোর অন্যতম একটি (অ্যাডভান্স) উপায় হল ডিভাইসের স্টক রম পালটে ফেলা। এক্ষেত্রে শুধু রুট করলেই স্বয়ংক্রিয় ভাবে ডিভাইসের গতি বেড়ে যাবে না কিন্তু রম পরিবর্তন করলে ডিভাইসটি ফাস্ট হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকে। তাই আপনার ডিভাইসের জন্যে উপযুক্ত ভাল কোন কাস্টম রম খুঁজে বের করুন। এ অবস্থায় আপনাকে একটু পড়াশোনা করে নিতে হতে পারে। অনেক ডিভাইসের ক্ষেত্রে তাদের স্টক রম গুলোর আপডেট বন্ধ হয়ে যায় আর এ কারণে ডিভাইসগুলোও আর নতুন আপডেট পায় না। মূলত একারণেই কাস্টম রমের দরকার পড়ে। আপনি যদি আপনার স্টক রম পরিবর্তন করতে চান তাহলে আমার পরামর্শ থাকবে প্রথমেই আপনি একটু ভালো করে রিসার্চ করে নিন।